
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে সড়ক দুর্ঘটনায় সৈয়দ প্রত্যয় (২০) নামের এক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। গত শুক্রবার (১১ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে ফ্লুরিউ অঞ্চলের ইয়ানকালিলা এলাকার কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
খবর প্রথম আলোর।
পুলিশ জানায়, প্রত্যয় ও তাঁর দুই বন্ধুকে বহনকারী একটি মাজদা গাড়ি ইয়ানকালিলা এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তা থেকে ছিটকে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান প্রত্যয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁর দুই বন্ধুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তারা দুজন বিদেশি শিক্ষার্থী।
পুলিশ আরও জানায়, গাড়ির সামনে হঠাৎ একটি ক্যাঙারু চলে আসায় চালক পাশ কাটাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারান বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার পর দীর্ঘ সময় রাস্তাটি বন্ধ ছিল।
প্রথম আলোর পক্ষ থেকে নিহত শিক্ষার্থীর বাবা সৈয়দ আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে শোকাহত পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। জানা গেছে, তাদের স্থায়ী নিবাস টাঙ্গাইলে। বর্তমানে ঢাকায় বসবাস করছেন তারা।
সাউথ অস্ট্রেলিয়ান বাংলাদেশি কমিউনিটি অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা মাহবুব সিরাজ প্রথম আলোকে বলেন, প্রত্যয় খুব মেধাবী ও ভদ্র ছিলেন। বড় স্বপ্ন নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় এসেছিলেন। কিন্তু সে স্বপ্ন শুরুতেই থেমে গেল। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কমিউনিটির পক্ষ থেকে তার মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করছি।’
সূত্র: প্রথম আলো

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।