
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
মালদ্বীপে বসবাসরত অনথিভুক্ত বা অবৈধ প্রবাসীদের বৈধ হওয়ার সুযোগ দিয়েছে দেশটির সরকার। অনথিভুক্তদের জন্য ম্যাস লিগ্যালাইজেশন প্রোগ্রাম চালু করেছে দেশটির সরকার, যা চলবে এ বছরের ২ এপ্রিল পর্যন্ত।
বৈধ হওয়ার জন্য যেসব শর্ত পূরণ করতে হবে
যেসব কর্মীর বৈধ ওয়ার্ক পারমিট নেই তারা আবেদন করতে পারবেন। তবে যারা কোনো অপরাধের কারণে কালো তালিকাভুক্ত হয়েছেন, তারা এই সুবিধা পাবেন না। আবেদনকারীকে অবশ্যই বর্তমানে মালদ্বীপে অবস্থান করতে হবে।
যে কোম্পানি বা নিয়োগকর্তার অধীনে আগে ওয়ার্ক পারমিট ছিল, সেই কোম্পানি বা নিয়োগকর্তার অধীনে পুনরায় বৈধ হওয়ার সুযোগ নেই। এই সুবিধা একবারই পাওয়া যাবে। এ ছাড়া, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫-এর আগে যারা ‘মিসিং রিপোর্ট‘ হয়েছেন, তারাও বৈধ হওয়ার সুযোগ পাবেন।
বর্তমান নিয়োগকর্তা বা কোম্পানিকে প্রবাসী সিস্টেমের মাধ্যমে কর্মীকে বৈধ করার জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে হবে। এ বিষয়ে শিগগিরই নিয়োগকর্তাদের জন্য একটি ইউজার গাইডলাইন প্রকাশ করবে মন্ত্রণালয়।
অনথিভুক্ত যেসব কর্মী অপারেশন কুরাঙ্গীর আওতায় বায়োমেট্রিক তথ্য দিয়েছেন কিন্তু বর্তমানে কোনো নিয়োগকর্তা নেই, তারা সরাসরি আবেদন করতে পারবেন। এ জন্য হোমল্যান্ড সিকিউরিটি অ্যান্ড টেকনোলজি মিনিস্ট্রি প্রদত্ত অনলাইন ফরম পূরণ করতে হবে।
ফরমের লিংক: https://forms.office.com/r/b4CP5SLiAK
পরবর্তী সময়ে মন্ত্রণালয় তাদের তথ্য যাদের লোকবল প্রয়োজন—অর্থাৎ বিভিন্ন নিয়োগকর্তার কাছে সরবরাহ করবে। এভাবে কাজের মাধ্যমে বৈধ হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
মালদ্বীপে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী কর্মী কাজ করেন। তাদের মধ্যে অনেকেই অনথিভুক্ত অবস্থায় রয়েছেন। বৈধ হওয়ার এই সুযোগ তাদের জন্য নতুন আশার আলো। এতে অনথিভুক্ত বা অবৈধ প্রবাসীরা বৈধভাবে কাজ করার সুযোগ পাবেন এবং শ্রমবাজারে শৃঙ্খলা ফিরবে।
সূত্র: মালদ্বীপের বাংলাদেশ হাইকমিশনের ফেসবুক।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।