
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
ভিসার মেয়াদ বাড়ানো ও অবৈধ অভিবাসীদের আবেদন সাপেক্ষে বৈধ হওয়ার সুযোগ দিয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত । আগামী ৩১ অক্টোবরের পর্যন্ত বেঁধে দেওয়া এ সময় আর বাড়ছে না বলে জানিয়েছে দেশটির ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি, সিটিজেনশিপ, কাস্টমস অ্যান্ড পোর্ট সিকিউরিটি (আইসিপি)। আজ সোমবার তারা এমনটি জানায়।
সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ জানায়, অবৈধ অভিবাসীদের জন্য গত সেপ্টেম্বর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে দুই মাসের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়। এসময়ে জেল-জরিমানা ছাড়া দেশে ফেরার সুযোগ পেয়েছেন অনেক অবৈধ প্রবাসী।
আইসিপি বলছে, ১ নভেম্বর থেকে অবৈধ প্রবাসীদের দেশে ফেরত পাঠানোসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই সাধারণ ক্ষমা কর্মসূচি শেষ হতে তিন সপ্তাহ বাকি। আইসিপি জানায়, অবৈধ প্রবাসীদের ধরতে আবাসিক এলাকা এবং কোম্পানিতে অভিযান পরিচালনা করা হবে। এই অভিযানে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জরিমানা-নির্বাসন ও আরব আমিরাতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হতে পারে।
আইসিপি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সুলতান আল নুয়াইমি বলেন, এটি ছিল সুবর্ণ এবং চূড়ান্ত সুযোগ। নির্ধারিত সময়সীমার পর কোনো নমনীয়তা দেখানো হবে না।
আরব আমিরাত সরকারের এই কর্মকর্তা জানান, অনেকেই এই সময়ের মধ্যে বৈধ হতে পেরেছেন। নির্ধারিত সময়ের পর কতজন প্রবাসী বৈধ হতে পেরেছেন আর দেশে ফিরে গেছেন তার সংখ্যা জানিয়ে দেওয়া হবে।
যেসব প্রবাসীদের আরব আমিরাত ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাদের মধ্যে কিছু এখনও নির্দেশনা মানেননি বলে জানিয়েছে আইসিপি। তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আরব আমিরাত ছাড়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।