
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
বিশ্ব মেধাস্বত্ব সংস্থা (ডব্লিউআইপিও) কর্তৃক জেনেভায় প্রকাশিত গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স (GII) ২০২৫ অনুযায়ী সুইজারল্যান্ড আবারও বিশ্বের সবচেয়ে উদ্ভাবনী দেশ হিসেবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। টানা ১৫তম বছরের মতো আল্পস পর্বতমালার এ দেশটি মর্যাদাপূর্ণ এ সূচকে এক নম্বরে রয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এই সূচক প্রকাশ করা হয়।
সুইজারল্যান্ডের পরের ৪টি স্থানে রয়েছে যথাক্রমে সুইডেন, যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও সিঙ্গাপুর।
এ বছর প্রথমবারের মতো চীন শীর্ষ দশে প্রবেশ করেছে। ১০ম স্থানে উঠে জার্মানিকে পেছনে ফেলেছে।
প্রায় ৮০টি সূচক–যেমন গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) খরচ, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল বিনিয়োগ, পেটেন্ট আবেদন এবং সৃজনশীল উৎপাদনের ভিত্তিতে তৈরি এ সূচকে সুইজারল্যান্ডের অগ্রগতি বিশেষভাবে দৃশ্যমান মানবসম্পদ, ব্যবসায়িক দক্ষতা ও জ্ঞান সৃষ্টির ক্ষেত্রে।
তবে প্রতিবেদনে কিছু উদ্বেগও তুলে ধরা হয়েছে। বিশ্বব্যাপী গবেষণা ও উন্নয়ন খাতের প্রবৃদ্ধি মন্থর হয়েছে। ২০২৪ সালে তা নেমে এসেছে ২ দশমিক ৯ শতাংশে এবং ২০২৫ সালে আরও কমে ২ দশমিক ৩ শতাংশে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও ভেঞ্চার ক্যাপিটাল বিনিয়োগ গত বছর ৭ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। বেশির ভাগ প্রবৃদ্ধি এসেছে কয়েকটি বড় চুক্তি থেকে। আর সামগ্রিক চুক্তির সংখ্যা কমেছে ৪ দশমিক ৪ শতাংশ।
‘সুইজারল্যান্ড উদ্ভাবনে বৈশ্বিক মানদণ্ড স্থাপন করে চলেছে, তবে পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক বাস্তবতায় শীর্ষস্থান ধরে রাখতে হলেও অভিযোজন জরুরি,’ সূচক প্রকাশ অনুষ্ঠানে বলেন ডব্লিউআইপিওর মহাপরিচালক ড্যারেন ট্যাং।
প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, ভারত, ভিয়েতনাম ও মরক্কোর মতো মধ্যম আয়ের দেশগুলো তাদের অর্থনৈতিক অবস্থানের তুলনায় অনেক বেশি সাফল্য দেখাচ্ছে উদ্ভাবনী সক্ষমতা ও উৎপাদনে।
সুইজারল্যান্ড যখন উদ্ভাবনের শীর্ষে আরও একটি বছর উদযাপন করছে, তখন বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন—এই নেতৃত্ব ধরে রাখতে হলে প্রযুক্তি, বিনিয়োগ এবং শিল্প খাতে বৈশ্বিক পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া জরুরি।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।