
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
কুয়েতে বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য প্রথমবারের মতো ন্যূনতম বেতন কাঠামো নির্ধারণ করেছে দেশটির বাংলাদেশ দূতাবাস। ১ আগস্ট থেকে এই নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হবে। নতুন ভিসার জন্য নিয়োগকারীর এই বেতন কাঠামো মানা বাধ্যতামূলক।
প্রতি বছর হাজারো বাংলাদেশি কুয়েত যান শ্রমিক ভিসায়। তবে দীর্ঘদিন ধরে দেশটিতে এসব শ্রমিকদের জন্য ছিল না কোনো বেতন কাঠামো। এই প্রথম কুয়েতের বাংলাদেশ দূতাবাস বাংলাদেশিদের জন্য ন্যূনতম বেতন কাঠামো নির্ধারণ করেছে।
এক বিজ্ঞপ্তিতে কুয়েতের বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, চলতি বছর ১ আগস্ট থেকে কুয়েতগামী বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য নির্ধারিত বেতন কাঠামো প্রযোজ্য হবে।
দূতাবাস জানায়, এই নিয়ম না মানলে কোনো ভিসা সত্যায়ন করা হবে না। নতুন কাঠামোয় গৃহকর্মী ১২০ দিনার, বাসার গাড়িচালক ও রাঁধুনি ১৫০ দিনার, সরকারি চুক্তির অধীনে আকুদ হুকমির অদক্ষ শ্রমিকদের জন্য সর্বনিম্ন ৯০ দিনার, আকুদ আহলি অদক্ষ শ্রমিকদের জন্য ১২০, দক্ষ গাড়িচালক ১২০ এবং দক্ষ শ্রমিকদের জন্য ১৫০ দিনার বেতন ধার্য করা হয়েছে। সব বেতনই দৈনিক ৮ ঘণ্টা কাজের জন্য প্রযোজ্য।
বাংলাদেশ দূতাবাসের এই পদক্ষেপকে শ্রমিকবান্ধব ও সম্মানজনক বলছেন প্রবাসীরা। তারা জানান, এ সিদ্ধান্ত নতুন শ্রমিকদের জন্য ভালো হবে। এটি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।
ন্যূনতম এই বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় যাতে কোনো বাধা না আসে তা নিশ্চিতে দূতাবাসের নজরদারি জরুরি বলে মত বেশির ভাগ প্রবাসীদের।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।