
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধান বিরোধী লিবারেল পার্টি একটি উপনির্বাচনে কট্টর ডানপন্থী ও ইসলামবিরোধী দল ‘ওয়ান নেশন’-এর কাছে বড় ধরনের পরাজয়ের পর লিবারেল পার্টি নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার মুখে পড়তে পারে বলে মন্তব্য করেছেন সরকারের একজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী।
সরকার দলীয় ওই সিনিয়র মন্ত্রী বলেন, উপনির্বাচনে যাদের কাছে লিবারেল পার্টি হেরেছে, সেই ডানপন্থী দলের সঙ্গেই ভবিষ্যতে তাদেরকে জোট করতে হতে পারে।
বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
শনিবার অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনে ‘ওয়ান নেশন’ তাদের প্রথম ফেডারেল নিম্নকক্ষ আসনে বিজয় অর্জন করে।
উপনির্বাচনে জয়ের পর দলের নেতা পলিন হ্যানসন বলেন, “আমরা এখন অন্য আসনগুলোর দিকে নজর দিচ্ছি।”
তিনি সাধারণ মানুষের উদ্দেশে বলেন, “আপনারা আর অবহেলিত থাকবেন না। আমরা আপনাদের জন্য জোরালোভাবে কাজ করব।”
পলিন হ্যানসন অভিবাসন কমানোর পক্ষে এবং বারবার ইসলামবিরোধী মন্তব্যের জন্য সমালোচিত হয়েছেন।
নিউ সাউথ ওয়েলসের গ্রামীণ আসন ফ্যারারে ওয়ান নেশনের প্রার্থী ডেভিড ফার্লি ৩৯ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হন।
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, আবাসন সংকট ও অভিবাসন নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাচন কমিশনের ফলাফলে দেখা গেছে, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৮ শতাংশ ভোট, লিবারেল পার্টির প্রার্থী পেয়েছেন মাত্র ১২ শতাংশ ভোট ও গ্রামীণ ন্যাশনাল পার্টি পেয়েছেন ১০ শতাংশ ভোট।
এই আসনটি ১৯৪৯ সাল থেকে লিবারেল-ন্যাশনাল জোটের দখলে ছিল।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।