
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
আইনি কারণে প্রতিমাসে গড়ে তিন হাজার প্রবাসীকে কুয়েত থেকে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আল আনবারের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ফৌজদারি মামলায় সম্পর্কিত আদালতের আদেশ অথবা জনসাধারণের কল্যাণের জন্য প্রশাসনিক নির্বাসন আদেশের পরে এসব প্রবাসীদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে। স্পন্সর বা বহিষ্কৃত ব্যক্তির ভ্রমণ টিকিট না থাকলে কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। পরে টিকিটের মূল্য স্পন্সরের কাছ থেকে নিয়ে নেওয়া হচ্ছে। টিকিটের মূল্য পরিশোধ না করা পর্যন্ত কোনো স্পন্সর বিদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ করতে পারবে না বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সূত্র জানায়, কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্বাসন বিভাগ প্রবাসী আইন লঙ্ঘনকারীদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ফেরত পাঠানোর জন্য কাজ করছে। একজন নির্বাসিত ব্যক্তির পাসপোর্ট বা জরুরি ভ্রমণ নথি থাকলে তাকে তিন দিনের বেশি হেফাজতে রাখা হচ্ছে না।
সম্প্রতি একটি নতুন নির্বাসন কেন্দ্র খুলেছে কুয়েত সরকার। যেখানে প্রায় এক হাজার পুরুষ এবং ৪০০ নারী থাকতে পারেন। নতুন এই ভবনটিতে স্বাস্থ্যসেবাসহ সকল প্রয়োজনীয় পরিষেবা রয়েছে।
মাত্র ১৭,৮১৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের কুয়েতের জনসংখ্যা ৪৯ লাখ। এদের অর্ধেকেরও বেশি অভিবাসী, এবং তাদের মধ্যে অনেকেই নাগরিকত্ব পেয়েছেন। অভিবাসীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় আরব বংশোদ্ভূত আদি নাগরিকরা সংখ্যালঘু ও কোণঠাসা অবস্থায় পড়ছেন বলে মনে করছে কুয়েত সরকার। এই কারণে বিগত কয়েক বছর ধরে সরকার অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।