
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
মালয়েশিয়ার হেরিটেজ শহর মালাক্কায় অনুষ্ঠিত চার দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক হালাল ফেস্টিভ্যালে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ।
মালয়েশিয়ার মালাক্কা প্রদেশের মালাক্কা ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সেন্টারে ১৬-১৯ অক্টোবর চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত মেলায় খাদ্য ও পানীয়, হালাল ফ্যাশন, হালাল ট্যুরিজমসহ মোট ৯টি ক্লাস্টারে ৪০০টি বুথের মাধ্যমে বাংলাদেশসহ মোট ৮টি দেশ অংশ নেয়।
মেলায় অংশ নেওয়া অন্য দেশগুলো হলো কোরিয়া, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, চীন, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, তাইওয়ান ও মালয়েশিয়া।
মালাক্কার প্রাদেশিক সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় মালাক্কা ইসলামিক রিলিজিয়ন কাউন্সিল দ্বিতীয়বারের মতো এই মেলার আয়োজন করে।
১৮ অক্টোবর এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মালাক্কা প্রদেশের মূখ্যমন্ত্রী দাতুক সেরি উতামা এবি রউফ বিন ইউসুহ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আয়োজকদের আমন্ত্রণে যোগদান করেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী।
এ ছাড়া, অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী সিনেটর ড. হাজী মোহাম্মদ নাঈম বিন হাজী মোখতার, ব্রুনাই দারুসসালাম, ইন্দোনেশিয়া ও সিঙ্গাপুরের ধর্মীয় মন্ত্রীদের প্রতিনিধিদলসহ মালাক্কা রাজ্য সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা।

মেলায় কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশনের সহযোগিতায় বরাদ্দকৃত বুথে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ‘প্রাণ’ এই মেলায় অংশগ্রহণ করে তাদের বিভিন্ন ধরনের খাদ্য ও পানীয় পণ্যসামগ্রীর প্রদর্শনী করে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে অন্য স্টলের পাশাপাশি বাংলাদেশের স্টল পরিদর্শন করেন মালাক্কা প্রদেশের মূখ্যমন্ত্রী দাতুক সেরি উতামা এবি রউফ বিন ইউসুহ ও অতিথিরা।
বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী ও তার সহধর্মিণী ফারজানা নাসরিন তাদেরকে স্বাগত জানান। এ সময় হাই কমিশনার বাংলাদেশের বুথে প্রদর্শিত রপ্তানিযোগ্য তৈরী পোশাক, পাটজাত পণ্য, সিরামিকস সামগ্রী, ঔষধসামগ্রী, চামড়াজাত পণ্য, প্লাস্টিকপণ্য, খাদ্য ও পানীয় সামগ্রী প্রভৃতি সম্পর্কে সকলকে অবহিত করে হালাল বাণিজ্য সম্প্রসারণে মালাক্কার মুখ্যমন্ত্রীর সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। তিনি আগামীতেও বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানসমূহের এই মেলায় অংশগ্রহণের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পরিদর্শনশেষে মুখ্যমন্ত্রীকে বাংলাদেশি বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়।
এ সময় বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) প্রণব কুমার ঘোষ ও অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের মালয়েশিয়ার সাউথ ডিভিশনের বিভাগীয় প্রধান (মালাক্কা ও জহরবারু) তাওসিফ কবির, আঞ্চলিক ম্যানেজার (মালাক্কা ও নেগেরি সেম্বিলান) মোহাম্মদ পারভেজ ও মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ তারেকুর রহমান আকাশ উপস্থিত ছিলেন।

হাইকমিশনের প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) প্রণব কুমার ঘোষ জানান, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি পণ্যের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে হাইকমিশন বাংলাদেশের পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের জন্য কুয়ালালামপুরসহ অন্য প্রদেশে বিভিন্ন বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণসহ নানাবিধ পরিকল্পনা নিয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই মেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে রাজধানী কুয়ালালামপুরের পাশাপাশি অন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রদেশেও বাংলাদেশের পণ্যের বাজার তৈরী করা সম্ভব হবে। মালয়েশিয়া তথা আসিয়ান অঞ্চলে বাংলাদেশের বিভিন্ন পণ্য ও সেবাকে পরিচিত করার লক্ষ্যে হাইকমিশন নিয়মিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণ করে আসছে। ২০২৫ সালে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত ৪টি আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণ করেছে।
বাংলাদেশ হাইকমিশনের বুথে রপ্তানিযোগ্য পণ্যসামগ্রীর পাশাপাশি আগামী ডিসেম্বর মাসে ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো ২০২৫ এবং রপ্তানি, বিনিয়োগ ও পর্যটন বিষয়ক প্রকাশনা বিতরণসহ এ সংক্রান্ত তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। মেলায় প্রতিদিনই উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ব্যবসায়ী, পরিবেশক ও দর্শনার্থী বাংলাদেশের বুথ পরিদর্শন করেছেন এবং বাংলাদেশের পণ্যসামগ্রী নিয়ে তাদের আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে।
মেলার শেষ দিনে মেলায় সফলভাবে অংশগ্রহণের জন্য আয়োজনকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ হাইকমিশনকে সনদপত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করে।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।