
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
২০৩৪ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে বিভিন্ন দেশের সমকামী, উভকামী ও রূপান্তরকামীদের (এলজিবিটিকিউ) সমর্থকদের স্বাগত জানাবে সৌদি আরব। এমনটি জানিয়েছেন দেশটির ফুটবল বিশ্বকাপ বিড ইউনিটের প্রধান হাম্মাদ আলবালাভি।
আয়ারল্যান্ডভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আইরিশ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০৩৪ সালের ফুটবল বিশ্বকাপেরর আয়োজক হতে এখন পর্যন্ত আর কেউ আবেদন করেনি সৌদি ছাড়া। চলতি বছরের শেষে বিশ্বকাপের সেই আসরের আয়োজক নিয়ে হবে ভোট। ধারণা করা হচ্ছে, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সৌদি আরবের নাম ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
আগস্টে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানায়, ২০৩৪ সালের পুরুষ ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ার বিডে ফিফার নিজস্ব মানবাধিকারের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে সৌদি আরব। সংস্থাটি দেশটির মানবাধিকার সুরক্ষা উন্নত করার জন্য জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
অ্যামনেস্টি বলছে, সৌদিতে এলজিবিটিকিউ পক্ষে কাজ করা কোনো সরকারি সংস্থা নেই। দেশটির আইনে সমকামীদের মৃত্যুদণ্ডের কথাও বলা আছে।
এ নিয়ে স্কাই স্পোর্টসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আলবালাভি বলেন, আপনাদের শ্রদ্ধা করা হবে। আপনাদের স্বাগত জানানো হবে। মানুষজনকে সৌদি সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানতে হবে। আর এটি জানার সর্বোত্তম মাধ্যম হলো ভ্রমণ। আপনারা অতিথিপরায়ণ সৌদিদের খুঁজে পাবেন। আমরা আমাদের অতিথিদের সাদরে গ্রহণ করতে চাই।
এদিকে গত বছর সৌদি সরকার পরিচালিত পর্যটন ওয়েবসাইটে এলজিবিটি দর্শনার্থীদের জন্য বলা হয়, আমরা চাই আপনারা আমাদের সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যকে সম্মান করুন এবং আইন অনুসরণ করুন।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।