
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় নির্বাচনে (পার্লামেন্ট) দেশটির বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভ করেছে। শনিবার (৩ মে) জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
চূড়ান্ত ফলাফলের আগে প্রায় ৩৪ শতাংশ ভোট গণনার ফলাফলেই লেবার ৭৭টি আসনে জয়ী হয়েছে। বিরোধী দল লিবারেল-ন্যাশনাল কোয়ালিশন পেয়েছে ৩৩টি আসন। এর মধ্য দিয়ে আবারও দ্বিতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন অ্যান্থনি অ্যালবানিজ।
এ বারের নির্বাচনে সবচেয়ে বড় অঘটন ছিল বিরোধীদলীয় নেতা পিটার ডাটনের পরাজয়। ব্রিসবেনের ডিকসন আসনে লেবার প্রার্থী আলী ফ্রান্স প্রায় ৬০ শতাংশ ভোট পেয়ে ডাটনকে পরাজিত করেছেন। ডাটন ২২ বছর ধরে এই আসনে নির্বাচিত হয়ে আসছিলেন।
এবারের নির্বাচনী প্রচারণার কেন্দ্রে ছিল দেশটিতে ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয় ও গৃহনির্মাণ সংকট।
সিডনি, মেলবোর্ন, ব্রিসবেনসহ প্রধান শহরগুলোতে প্রবাসী বাংলাদেশিরাও এই নির্বাচনে লেবারের জয়ে আনন্দ প্রকাশ করেছেন।
এবারের নির্বাচনে লিবারেল পার্টি থেকে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত একজন প্রার্থীও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন সিডনির ওয়াটসন আসনে। এই আসনে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী ছিলেন বাংলাদেশিদের কাছে পরিচিত নেতা টনি বার্ক। তিনি প্রায় ৭০ শতাংশ ভোটে এগিয়ে আছেন আসনটিতে।
অস্ট্রেলিয়ায় এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ১ কোটি ৮০ লাখ।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।