
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
ধর্মীয় প্রতীকের বাণিজ্যিক ব্যবহার নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি সরকার। গতকাল রোববার এক নির্দেশনায় সরকার বলেছে, ‘জাতীয়, ধর্মীয় ও পবিত্র প্রতীক যে কোনো ধরনের প্রচার প্রচারণা এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক বিষয়াবলীতে ব্যবহার করা যাবে না।’
সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
রোববার সৌদি আরবের বাণিজ্যমন্ত্রী ড. মাজেদ কাসাবি বলেন, ধর্মীয় প্রতীকের পবিত্রতা রক্ষায় সৌদি সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্যই সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সরকারি নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, যারা এ নির্দেশনা অমান্য করবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারি প্রজ্ঞাপন জারির ৯০ দিন পর থেকে এ নির্দেশনা কার্যকর হবে। এই ৯০ দিনের মধ্যে যারা নির্দেশনা ভঙ্গ করবে, তাদের শোধরানোর সুযোগ দেওয়া হবে। অর্থাৎ যেসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে ধর্মীয় প্রতীক রয়েছে, তারা এই সময়ের মধ্যে সেগুলো পরিবর্তনের সুযোগ পাবে।
নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সৌদি আরবের নেতাদের নাম ও ছবি প্রিন্ট করা জিনিস, অন্যান্য জিনিসপত্র, উপহার এবং প্রচারণামূলক বিষয়েও ধর্মীয় প্রতীকের ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
সৌদির বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, আগে থেকেই বাণিজ্যিক বিষয়াবলীতে সৌদির পতাকা ব্যবহার নিষিদ্ধ আছে। কারণ এই পতকায় কালেমা খচিত আছে।
সম্প্রতি সৌদি আরবের রিয়াদে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মঞ্চে পবিত্র কাবা শরিফের মতো দেখতে একটি প্রদর্শন করা হয়। ওই মঞ্চে শিল্পীরা নাচ গান করছিলেন। এরকম একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এ নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। এরপরই সৌদির পক্ষ থেকে এমন নির্দেশনা এল।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।