
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
বাহার উদ্দিন বকুল, জেদ্দা, সৌদি আরব

সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন রেড সি ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে অংশগ্রহণের জন্য প্রথমবারের মতো বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। জেদ্দায় নিয়োজিত বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সার্বিক সহযোগিতায় বাংলাদেশের এই অংশগ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
গত মঙ্গলবার জেদ্দার এক হোটেলে রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন সৌদি আরবের (পশ্চিমাঞ্চল) সৌজন্যে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
মতবিনিময়ে প্রধান অতিথি ছিলেন রেড সি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের এক্সক্লুসিভ উপদেষ্টা এবং কমিউনিটি অ্যাফেয়ার্স বিষয়ক সরকারি উপদেষ্টা নশীন আহমেদ।
শুরুতে সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা এম ওয়াই আলাউদ্দিনের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে সভার সূচনা হয়। আন্তর্জাতিক এই উৎসবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকে দেশের বিকাশমান চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য একটি বড় মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে লাল-সবুজের উপস্থিতি দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সম্ভাবনাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
উৎসবের সার্বিক রূপরেখা তুলে ধরেন নশীন আহমেদ। তিনি বলেন, “বিগত ছয় বছর ধরে রেড সি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত হয়ে আসলেও এবারই প্রথম বাংলাদেশ প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদায় আনুষ্ঠানিকভাবে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছে। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের একটি স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে। নিজস্ব প্যাভিলিয়ন ও বুথের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে অবস্থান তুলে ধরা সম্ভব হবে।"

তিনি আরও যোগ করেন, এই বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মটি বাংলাদেশের শীর্ষ চলচ্চিত্র প্রযোজনা সংস্থা, খ্যাতিমান কলাকুশলী, স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক পৃষ্ঠপোষকদের জন্য আন্তর্জাতিক পরিবেশক ও বিনিয়োগকারীদের সামনে কাজ তুলে ধরার সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করবে।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের জন্য বিশেষ সুবিধার কথা নিশ্চিত করে নশীন আহমেদ জানান, উৎসবের প্রাতিষ্ঠানিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে রেড সি ফেস্টিভ্যালে প্রতিনিধি হিসেবে অংশগ্রহণকারী সব বাংলাদেশি শিল্পী, পরিচালক, প্রযোজক ও ক্রু মেম্বারদের বিনামূল্যে বিশেষ ভিসার ব্যবস্থা করা হবে।
নশীন আহমেদ আরও জানান, চলচ্চিত্র উৎসবের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিনোদনের কথা মাথায় রেখে আগামী ৬ থেকে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কনসার্টের আয়োজন করা হবে। এই বৈশ্বিক উদ্যোগকে সফল করতে জেদ্দায় নিয়োজিত বাংলাদেশি সাংবাদিক ও প্রবাসী ব্যবসায়ীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
উল্লেখ্য, নশীন আহমেদ দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সৌদি আরবে শিক্ষা, সংস্কৃতি, ব্যবসা এবং মিডিয়া খাতে কমিউনিটির উন্নয়নে কাজ করে আসছেন। তিনি সৌদি আরবের জেনারেল এন্টারটেইনমেন্ট অথরিটি (জিইএ), জেদ্দা চেম্বার, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস এবং কিডস পিরামিডের সঙ্গে কাজ করে প্রতিভা বিকাশ, ব্যবসা সম্প্রসারণ ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টে বিশেষ অবদান রেখেছেন। অভিবাসন জীবনের অভিজ্ঞতা ও সংগ্রাম থেকে অনুপ্রাণিত নশীন আহমেদের মূল লক্ষ্যই হলো একটি শক্তিশালী কমিউনিটি গড়ে তোলা, তাদের ক্ষমতায়ন এবং প্রসার ঘটানো।

মতবিনিময়ে রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফিরোজের পরিচালনায় বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হানিছ সরকার উজ্জ্বল, উপদেষ্টা বাহার উদ্দিন বকুল, সিনিয়র সহসভাপতি মাসুদ সেলিম, সহসভাপতি সাজিদুল ইসলাম এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রফিকুল হক চৌধুরী। এ ছাড়া, সদস্য আর নোমান, সাইফুল ইসলাম, আবস রাব্বি, করিম সরকার, আবেদা সুলতানা, ওমর ও সামি তাদের মতামত তুলে ধরেন।
তারা বলেন, এটি কেবল চলচ্চিত্র শিল্পকে প্রদর্শনের মাধ্যম নয়, বরং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি চলচ্চিত্রকে প্রতিযোগিতামূলক শক্তিতে রূপান্তরের একটি কৌশলগত ধাপ।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।