
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
দুবাইয়ের রোডস অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (আরটিএ) এমিরেটস লাভস ইন্ডিয়া ডে ইভেন্টের জন্য প্রত্যাশিত ভিড় মোকাবিলা করতে মেট্রো চালানোর সময় বাড়িয়েছে। মেট্রো চলবে আজ ১৬ নভেম্বর শনিবার সকাল ৫টা থেকে ১৭ নভেম্বর রবিবার ভোররাত ২টা পর্যন্ত। গালফ নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।
জাবিল পার্কে দীপাবলি উদ্যাপন অনুষ্ঠানে ৪০ হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক, শৈল্পিক, বাদ্যযন্ত্র এবং লোককথা তুলে ধরার মাধ্যমে ভারতীয় সংস্কৃতির সমৃদ্ধ দিকটি প্রদর্শন করা হবে। একটি বিশেষ বিভাগ সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভারতীয় ব্যক্তিদের উল্লেখযোগ্য অবদানকে সম্মান জানাবে।
ট্রাফিক পরামর্শ
ক্রমবর্ধমান ট্র্যাফিকের কারণে গাড়ি চালকদের শেখ জায়েদ স্ট্রিট, শেখ রশিদ স্ট্রিট এবং শেখ খলিফা বিন জায়েদ স্ট্রিটে রবিবার বেলা ১১টা থেকে ১২টা মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। যানজট এড়াতে যান চালকদের ট্রাফিক সাইন অনুসরণ করতে এবং বিকল্প রুট ব্যবহার করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
ইভেন্টে সহজে প্রবেশের সুবিধার্থে, আরটিএ ১৬ নভেম্বর শনিবার বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত জাবেল পার্কের চারপাশে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করেছে।
এছাড়াও, আল ওয়াসল ফুটবল ক্লাব এবং বুম ভিলেজের পার্কিং লট থেকে ইভেন্ট ভেন্যু পর্যন্ত বিনামূল্যে শাটল বাস পরিষেবা পাওয়া যাবে।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।