
সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।
চলতি পবিত্র রমজান মাসের প্রথম ১৫ দিনে ১০৭ ভিক্ষুককে গ্রেপ্তার করেছে শারজাহ পুলিশ। এই ১০৭ জনের মধ্যে ৮৭ জন পুরুষ ও ২০ জনা নারী। এদের কাছে পাওয়া গেছে ৫০ হাজারের বেশি দিরহাম (প্রায় ১৬ লাখ টাকা।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ বলছে, ভিক্ষাবৃত্তি রোধে চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে, শারজাহ পুলিশের জেনারেল কমান্ড এই বছর রমজানের প্রথমার্ধে ১০৭ জন ভিক্ষুককে গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় কর্তৃপক্ষ তাদের কাছ থেকে ৫০ হাজারের বেশি দিরহাম নগদ অর্থ জব্দ করে।
শারজাহ পুলিশের ‘ভিক্ষা করা একটি অপরাধ, এবং দান করা একটি দায়িত্ব’ শীর্ষক সচেতনতামূলক প্রচারের অংশ হিসেবে এদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য ভিক্ষাবৃত্তি রোধ করা, যা প্রায়শই ব্যক্তিগত লাভের জন্য জনসাধারণের করুণাকে কাজে লাগায়। এ ছাড়া সরকারি চ্যানেলের মাধ্যমে দায়িত্বশীল দাতব্য দানকে উৎসাহিত করতেই এই প্রচার।
শারজাহ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক বিভাগের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ওমর আল গাজাল ভিক্ষুকদের তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সম্প্রদায়ের সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। তিনি সন্দেহজনক ব্যক্তিদের রিপোর্ট করার জন্য এবং কর্তৃপক্ষকে তাদের অবস্থান ট্র্যাক করতে সহায়তা করার জন্য নির্ধারিত হটলাইন ৯০১ ও ৮০০৪০ ব্যবহার চালিয়ে যাওয়ার জন্য জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘এই নেতিবাচক আচরণ কমাতে ভিক্ষুকদের ব্যবহৃত প্রতারণামূলক কৌশল সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি অপরিহার্য।’
গাজাল জোর দিয়ে বলেন, লাইসেন্সপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর মাধ্যমে দাতব্য অনুদান প্রদান করা উচিত, যাতে প্রকৃত অভাবীদের কাছে তা পৌঁছানো যায়।

সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়
ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ
বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত
দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।