Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> প্রবাস

প্রবাসীর মরদেহ দেশে এল প্রবাসীদের চাঁদার টাকায়!

বিডিজেন ডেস্ক

প্রকাশ : ২৬ নভেম্বর ২০২৪, ২২: ৫৯
প্রবাসীর মরদেহ দেশে এল প্রবাসীদের চাঁদার টাকায়!

দীর্ঘ ২৫ দিন রোগ ভোগের পর মালয়েশিয়ায় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন আবদুল হান্নান (৪৪) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি। হান্নানের বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসা ছিল। দেশটির শ্রম আইন অনুযায়ী নিয়োগকর্তার চিকিৎসা খরচসহ মরদেহ দেশে পাঠানো, সব ব্যয় বহন করার কথা। কিন্তু নিয়োগকর্তা সেটি বহন করেনি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

পরিবারের সচ্ছলতার আশায় ২০০৭ সালের কলিং ভিসায় মালয়েশিয়ায় গিয়েছিলেন আবদুল হান্নান। কিন্তু জীবন থেকে ১৭ বছর হারিয়ে গেলেও তিনি জীবদ্দশায় সচ্ছলতার মুখ দেখেননি।

এ অবস্থায় বিপাকে পড়ে মৃত হান্নানের পরিবার। মালয়েশিয়ায় বাস করেন হান্নানের ছোট ভাই মো. পেল্টু মিয়া। তিনি কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশনে গিয়ে সহযোগিতার আহ্বান জানান। কিন্তু তাঁর আহ্বানে কাউন্টারের দায়িত্ব থাকা কর্মীরা কোনো সাড়া দেননি।

এদিকে হান্নানের হাসপাতালের চিকিৎসা বিল পরিশোধ এবং মরদেহ দেশে পাঠাতো প্রয়োজন ছিল ১২ হাজার রিঙ্গিত বা প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা। কিন্তু পরিবারের পক্ষে এত অর্থ যোগাড় করা সম্ভব হচ্ছিল না।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

পরে পের্টু মিয়া কয়েকজন প্রবাসীর সহযোগিতায় প্রবাসীদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ১২ হাজার রিঙ্গিত সাহায্য তুলে হাসপাতালের বিল পরিশোধ করে কার ভাই হান্নানের মরদেহ ২৫ নভেম্বর (সোমবার) দেশে পাঠিয়েছেন।

আবদুল হান্নান দীর্ঘদিন ফুসফুসের ইনফেকশন ও রক্তচাপজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন। এ কারণে তিনি নিয়মিত কাজ করতে পারতেন না। হান্নান চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সিন্দুরিয়া গ্রামের মৃত ওমর আলীর ছেলে। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। ছেলে সন্তানটি শারীরিক প্রতিবন্ধী।

এ বিষয়ে কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে বলা হয়েছে, আবদুল হান্নান নামের মৃত ব্যক্তির কোনো স্বজন হাইকমিশনের লেবার উইংয়ে যোগাযোগ করেনি। সঠিকভাবে লেবার উইংয়ে যোগাযোগ করলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হতো।

হাইকমিশনের কাউন্টারে থাকা কোন কর্মীর সঙ্গে মৃত আবদুল হান্নানের ছোট ভাই মো. পেল্টু মিয়া সাক্ষাৎ করেছেন সেটি তিনি নিশ্চিত করতে পারেননি।

এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশনের লেবার উইংয়ের প্রথম সচিব সুমন চন্দ্র দাস ঢাকাপোস্টকে বলেন, বৈধ প্রবাসী মারা গেলে কোম্পানির মালিকের সম্পূর্ণ খরচে মরদেহ দেশে পাঠানো হয়। আর যদি অবৈধ প্রবাসী মারা যান সেক্ষেত্রে পরিবারের সামর্থ্য না থাকলে দূতাবাসে আবেদন করলে বরাদ্দ অনুযায়ী মরদেহ দেশে পাঠানো হয়ে থাকে।

তিনি আরও বলেন, আবদুল হান্নানের স্বজনেরা নিয়মমাফিক আবেদন করলে হাইকমিশন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করত।

সূত্র: ঢাকাপোস্ট

বিষয়: প্রবাসী মৃত্যুচুয়াডাঙ্গামালয়েশিয়াপ্রবাসী বাংলাদেশিপ্রবাসীবাংলাদেশ হাইকমিশন
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়

    সিগন্যালটা ভুল বুঝেছিলাম, সত্যটা নয়

    ভালোবাসা মানুষকে পাওয়ার নাম নয়, মানুষকে তার সত্যের মধ্যে গ্রহণ করার নাম। আর সততা শুধু অন্যকে সত্য বলা নয়, অন্যের সত্যকে মেনে নেওয়ার সাহসও।

  • টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ

    টরন্টোয় বজ্রঝড় ও বন্যায় বিপর্যস্ত প্রবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ

    বজ্রঝড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ হাজার হাজার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

  • অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত

    অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সরকারে প্রথম বাংলাদেশি নারী ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত

    দুই দশকের বেশি সময় আগে এলিজা আজাদ শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন। পরবর্তী সময়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

  • নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন

    নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নিউইয়র্কে প্রায় ৩ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করলেও বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য হয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ। সদস্য হতে ২০ ডলার চাঁদা দিতে হয়েছে। এ হিসাবে সদস্য চাঁদা থেকেই সংগঠনটির আয় হয়েছে প্রায় ৭ লাখ ডলার।