সিলেট নগরের রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকায় একই বাসার তিনজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
আটক ব্যক্তির নাম বাবুল মিয়া।
নিহতরা হলেন মিতালী আবাসিক এলাকার বাসিন্দা ও সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক পরিচালক আব্দুস সত্তার মিয়া (৮২), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭২) এবং তাদের গৃহপরিচারিকা তাহমিনা (২৫)। নিহত আব্দুস সত্তার মিয়া সিলেট মহানগরীর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের উপদেষ্টা ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে ওই বাসার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার সুযোগে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি প্রকাশ পেলে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনটি মরদেহ উদ্ধার করে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাটিকে ‘ট্রিপল মার্ডার’ হিসেবে বিবেচনা করে তদন্ত শুরু করেছে।
কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাইনুল জাকির ঘটনার সত্যতা ও সন্দেহভাজন একজনকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও ঘটনার সার্বিক রহস্য উদঘাটনের স্বার্থে আটক ব্যক্তির পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না।
হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ নিয়ে কথা বলেন সোবহানীঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) শিপলু চৌধুরী। তিনি জানান, প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, বাসার গৃহপরিচারিকা তাহমিনার সঙ্গে আটক ব্যক্তির প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই সম্পর্কের জেরে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে।
পুলিশ ঘটনার পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত জোরদার করেছে।