চরচা ডেস্ক

আসাম বিশ্ববিদ্যালয়, শিলচর-এ যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়েছে। দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন বিভাগের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। আয়োজনে ছিল মাতৃভাষার মর্যাদা, ইতিহাস ও গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
অনুষ্ঠানের সূচনা হয় স্বপ্নাদেবী মেমোরিয়াল হলে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্কুল অব ইন্ডিয়ান ল্যাঙ্গুয়েজেস-এর ডিন ও মণিপুরী বিভাগের অধ্যাপক ননী গোপাল সিংহা, কাছাড় কলেজের অধ্যক্ষ সুকুমার ভট্টাচার্য, বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান দেবাশীষ ভট্টাচার্যসহ বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
পরে সংস্কৃত বিভাগের সেমিনার হলে উদ্বোধনী সংগীত “ওঠো গো ভারতলক্ষ্মী” পরিবেশনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হয়। প্রথম বক্তা হিসেবে দেবাশীষ ভট্টাচার্য ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। পাশাপাশি ১৯৯৯ সালে ইউনেসকো এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সুকুমার ভট্টাচার্য মাতৃভাষাকে মানুষের আত্মপরিচয়ের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, “শিশু যেমন মায়ের দুধ পান করে বড় হয়, তেমনি মাতৃভাষার মাধ্যমেই মানুষের চিন্তা ও পরিচয় গড়ে ওঠে।”
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন হিন্দি বিভাগের অধ্যাপক কৃষ্ণ মোহন শাহ, লিঙ্গুইস্টিক বিভাগের অধ্যাপক মিস মেরি, সংস্কৃত বিভাগের অধ্যক্ষ শান্তি পকরেল, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শান্তনু সরকারসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে রিত্তিকা সাধু ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটি পরিবেশন করেন। সাংস্কৃতিক পর্বে সাঁওতালি ভাষায় গান পরিবেশন করেন হেমলতা কেরকাটা। কবিতা আবৃত্তি করেন ইস্পিতা দেব, সুস্মিতা অধিকারী ও অস্মিনি বর্মন। গজল পরিবেশন করেন রোকেয়া খানম বরভুইয়া। নৃত্য পরিবেশন করেন ঐশী শিল, শুভজিৎ দাশ ও অঙ্কিতা দেব।

আসাম বিশ্ববিদ্যালয়, শিলচর-এ যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়েছে। দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন বিভাগের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। আয়োজনে ছিল মাতৃভাষার মর্যাদা, ইতিহাস ও গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
অনুষ্ঠানের সূচনা হয় স্বপ্নাদেবী মেমোরিয়াল হলে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্কুল অব ইন্ডিয়ান ল্যাঙ্গুয়েজেস-এর ডিন ও মণিপুরী বিভাগের অধ্যাপক ননী গোপাল সিংহা, কাছাড় কলেজের অধ্যক্ষ সুকুমার ভট্টাচার্য, বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান দেবাশীষ ভট্টাচার্যসহ বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
পরে সংস্কৃত বিভাগের সেমিনার হলে উদ্বোধনী সংগীত “ওঠো গো ভারতলক্ষ্মী” পরিবেশনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হয়। প্রথম বক্তা হিসেবে দেবাশীষ ভট্টাচার্য ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। পাশাপাশি ১৯৯৯ সালে ইউনেসকো এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সুকুমার ভট্টাচার্য মাতৃভাষাকে মানুষের আত্মপরিচয়ের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, “শিশু যেমন মায়ের দুধ পান করে বড় হয়, তেমনি মাতৃভাষার মাধ্যমেই মানুষের চিন্তা ও পরিচয় গড়ে ওঠে।”
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন হিন্দি বিভাগের অধ্যাপক কৃষ্ণ মোহন শাহ, লিঙ্গুইস্টিক বিভাগের অধ্যাপক মিস মেরি, সংস্কৃত বিভাগের অধ্যক্ষ শান্তি পকরেল, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শান্তনু সরকারসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে রিত্তিকা সাধু ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটি পরিবেশন করেন। সাংস্কৃতিক পর্বে সাঁওতালি ভাষায় গান পরিবেশন করেন হেমলতা কেরকাটা। কবিতা আবৃত্তি করেন ইস্পিতা দেব, সুস্মিতা অধিকারী ও অস্মিনি বর্মন। গজল পরিবেশন করেন রোকেয়া খানম বরভুইয়া। নৃত্য পরিবেশন করেন ঐশী শিল, শুভজিৎ দাশ ও অঙ্কিতা দেব।