চরচা প্রতিবেদক

নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত প্রাপ্ত সুপারিশগুলো পর্যালোচনা করে আগামী নির্বাচনে সংস্কার অগ্রাধিকার নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
আজ বুধবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে নির্বাচন কমিশনের দুই দিনব্যাপী অংশীজন সংলাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, “নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত অনেক সুপারিশ পেয়েছি। এসব পরীক্ষা নিরীক্ষা করে এবং আলোচনা করে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা নিতে পারব আশা করি। সব সুপারিশ পর্যালোচনা করে সামনের নির্বাচনে সংস্কার অগ্রাধিকার ও বাস্তবায়নে চেষ্টা করা হবে।”
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, “নির্বাচনের আগে-পরে পর্যবেক্ষক গ্রুপ, অংশীজনদের মতামত নিয়েছি; সবার সহযোগিতা পেয়েছি। এ সংলাপের মাধ্যমে নির্বাচন আরো কিভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক করা যায় সে সুপারিশ আসবে বলে আশা করি। গণতন্ত্রের উত্তরণে এটি চলমান প্রক্রিয়া।”
ইসি সানাউল্লাহ আরও বলেন, “নির্বাচনের পরে যেসব সুপারিশ এসেছে তা আমরা মূল্যায়ন করছি, যাতে এ ধারাবাহিকতা এগিয়ে নিতে পারি। আগামী দুদিন অংশীজন সংলাপে পাওয়া সুপারিশও আমরা কাজে লাগাবো। সামনে স্থানীয় নির্বাচন রয়েছে, সবার সহযোগিতা কামনা করি।”
সংলাপে অংশ নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, “ইতোমধ্যে আমাদের রিপোর্টে সুনির্দিষ্ট ১৯টি সুপারিশ তুলে ধরেছি। এ কর্মশালার মাধ্যমে আলোচনা করে আরো সুপারিশ আসবে আশা করি। এরপর অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে সেগুলো কাজে লাগাতে হবে। অংশীজনরা গণতান্ত্রিক নির্বাচনে ভূমিকা রেখেছে। নির্বাচন কমিশন সামনের দিনগুলোতে পর্যবেক্ষণ সুপারিশ যাতে এগিয়ে নিয়ে যাবে আশা করি।”
ইউরোপিয়ান পার্টনারশিপ ডেভেলপমেন্টের (ইপিডি) মিশেল লিডাউয়ের বলেন, “ইতোমধ্যে অনেকে তাদের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছে। সবাইকে একত্রে নিয়ে এ কর্মশালা থেকে প্রাপ্ত সুপারিশ ভবিষ্যতের কর্মপন্থা তৈরিতে সহায়তা করবে। স্থানীয় নির্বাচনে কাজে লাগবে।”
দুদিনের এ সংলাপটি বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত চলবে। বিভিন্ন সেশনে উপস্থিত থাকবেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, নির্বাচন কমিশনার তাহমিদা আহমদ, নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত প্রাপ্ত সুপারিশগুলো পর্যালোচনা করে আগামী নির্বাচনে সংস্কার অগ্রাধিকার নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
আজ বুধবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে নির্বাচন কমিশনের দুই দিনব্যাপী অংশীজন সংলাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, “নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত অনেক সুপারিশ পেয়েছি। এসব পরীক্ষা নিরীক্ষা করে এবং আলোচনা করে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা নিতে পারব আশা করি। সব সুপারিশ পর্যালোচনা করে সামনের নির্বাচনে সংস্কার অগ্রাধিকার ও বাস্তবায়নে চেষ্টা করা হবে।”
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, “নির্বাচনের আগে-পরে পর্যবেক্ষক গ্রুপ, অংশীজনদের মতামত নিয়েছি; সবার সহযোগিতা পেয়েছি। এ সংলাপের মাধ্যমে নির্বাচন আরো কিভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক করা যায় সে সুপারিশ আসবে বলে আশা করি। গণতন্ত্রের উত্তরণে এটি চলমান প্রক্রিয়া।”
ইসি সানাউল্লাহ আরও বলেন, “নির্বাচনের পরে যেসব সুপারিশ এসেছে তা আমরা মূল্যায়ন করছি, যাতে এ ধারাবাহিকতা এগিয়ে নিতে পারি। আগামী দুদিন অংশীজন সংলাপে পাওয়া সুপারিশও আমরা কাজে লাগাবো। সামনে স্থানীয় নির্বাচন রয়েছে, সবার সহযোগিতা কামনা করি।”
সংলাপে অংশ নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, “ইতোমধ্যে আমাদের রিপোর্টে সুনির্দিষ্ট ১৯টি সুপারিশ তুলে ধরেছি। এ কর্মশালার মাধ্যমে আলোচনা করে আরো সুপারিশ আসবে আশা করি। এরপর অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে সেগুলো কাজে লাগাতে হবে। অংশীজনরা গণতান্ত্রিক নির্বাচনে ভূমিকা রেখেছে। নির্বাচন কমিশন সামনের দিনগুলোতে পর্যবেক্ষণ সুপারিশ যাতে এগিয়ে নিয়ে যাবে আশা করি।”
ইউরোপিয়ান পার্টনারশিপ ডেভেলপমেন্টের (ইপিডি) মিশেল লিডাউয়ের বলেন, “ইতোমধ্যে অনেকে তাদের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছে। সবাইকে একত্রে নিয়ে এ কর্মশালা থেকে প্রাপ্ত সুপারিশ ভবিষ্যতের কর্মপন্থা তৈরিতে সহায়তা করবে। স্থানীয় নির্বাচনে কাজে লাগবে।”
দুদিনের এ সংলাপটি বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত চলবে। বিভিন্ন সেশনে উপস্থিত থাকবেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, নির্বাচন কমিশনার তাহমিদা আহমদ, নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।