Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> সংক্ষেপে

সুপার ভাগোয়া আনার চাষে সফলতার মুখ দেখেছেন রাজশাহীর শুভ

চরচা প্রতিবেদক

চরচা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০২৬, ১১: ৫৭
সুপার ভাগোয়া আনার চাষে সফলতার মুখ দেখেছেন রাজশাহীর শুভ

কম্পিউটার, ল্যাপটপ ও ক্যামেরা মেরামতের কাজ ছেড়ে প্রযুক্তির অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছেন রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার হলিদাগাছি গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ শিবলী সাদিক শুভ। নিজের বাড়ির আঙিনায় গড়ে তুলেছেন সুপার ভাগোয়া জাতের আনারের একটি বাণিজ্যিক বাগান। বর্তমানে তার বাগানে প্রায় ৩০০টি আনারগাছ রয়েছে। প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনায় কম খরচে বাগান পরিচর্যার পাশাপাশি বাণিজ্যিকভাবে লাভেরও আশা দেখছেন তিনি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

শিবলী সাদিক শুভ জানান, আগে তিনি টেকনিশিয়ান হিসেবে কম্পিউটার, ল্যাপটপ, ক্যামেরা ও অন্যান্য ইলেকট্রনিকস যন্ত্র মেরামতের কাজ করতেন। ইলেকট্রনিকস বিষয়ে পড়াশোনা থাকায় সেই অভিজ্ঞতা এখন তিনি কৃষিকাজে কাজে লাগাচ্ছেন।

শিবলী সাদিক জানান, শখের বশে ভারত থেকে সুপার ভাগোয়া জাতের একটি আনারগাছ এনে বাড়ির আঙিনায় রোপণ করেন। পরে সেই গাছের ভালো ফলন দেখে গুটি কলমের মাধ্যমে আরও কয়েকটি গাছ তৈরি করেন। একসময় একটি গাছে এক কেজির বেশি ফল পাওয়ার পর তিনি বুঝতে পারেন, বাণিজ্যিকভাবে এই আনার চাষ লাভজনক হতে পারে। এরপর ধীরে ধীরে বাগান সম্প্রসারণ করেন। বর্তমানে ছোট-বড় মিলিয়ে তার বাগানে প্রায় ৩০০টি আনারগাছ রয়েছে।

আগামী মাসে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হচ্ছে প্রবাসী কার্ডProbashi Card

শুভ বলেন, ক্যামেরার মাধ্যমে অনলাইনে বাগান পর্যবেক্ষণ করায় বছরে প্রায় সাত হাজার টাকায় পুরো বাগানের দেখভাল করা সম্ভব হচ্ছে। তার ভাষায়, মানুষ দিয়ে নিয়মিত পরিচর্যা করাতে গেলে বছরে অন্তত এক লাখ ২০ হাজার টাকা খরচ হতো। সে হিসাবে তিনি প্রায় এক লাখ ১০ হাজার টাকা সাশ্রয় করতে পেরেছেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সাদিক জানান, ২০২৩ সালের আগস্ট মাসে বাগান গড়ে তোলার কাজ শুরু করেন। বর্তমানে বাগানের বয়স প্রায় আড়াই বছর। তার মতে, শুরুতে খরচ কিছুটা বেশি হলেও গাছের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফলন বাড়বে এবং উৎপাদন ব্যয় কমে আসবে।

শুভর ভাষ্য, বর্তমানে একটি গাছে প্রায় ৫০০ টাকা খরচ হয়েছে। তবে প্রতিটি গাছ থেকে পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকার আনার বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে। কিছু গাছে সাত থেকে আট হাজার টাকার ফলও আসতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, আনার সারা বছরই ধাপে ধাপে ফল দেয়। এক দফার ফলন শেষ হলে আরেক দফার ফল আসে। বর্তমানে দুই বিঘারও বেশি জমির বাগানে প্রায় ৩০০টি গাছ রয়েছে। এর মধ্যে ১৮০টি বড় গাছ এবং বাকিগুলো ছোট। গুটি কলমের মাধ্যমে নতুন চারাও তৈরি করা হয়েছে।

আনার চাষে আগ্রহীদের উদ্দেশে শুভ বলেন, অল্প পরিসরে শুরু করে আগে ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত। সফলতা এলে পরে বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারণ করা যেতে পারে। তার মতে, এটি শুধু একটি ব্যবসা নয়, বরং একটি স্বপ্ন। তিনি জানান সকালে ঘুম থেকে উঠে বাগানে না এলে তার ভালো লাগে না। এই পেশায় যে আনন্দ তিনি পান, তা অন্য কোথাও পান না।

দিল্লি ও বেইজিংয়ের মাঝে কাঠমান্ডুকে ভুলে যাচ্ছে নেপালNepal

শিবলী সাদিক শুভ জানান, বর্তমানে আনার ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সাধারণভাবে তিনটি আনারে প্রায় এক কেজি হয়। সে হিসাবে একটি আনারের দাম ১২৫ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে পড়ে। আবার কিছু আনার আকারে বড় হওয়ায় সেগুলোর দাম আরও বেশি। গড় হিসেবে একটি আনারের দাম ১০০ থেকে ১৫০ টাকার বেশি হচ্ছে বলে তিনি জানান।

শুভ বলেন, শুরুতে অনেকেই তার উদ্যোগকে অবাস্তব মনে করেছিলেন। কেউ কেউ তাকে নিয়ে ব্যঙ্গও করেছিলেন। তবে এখন দেশ-বিদেশ এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষ তার বাগান দেখতে আসছেন। অনেকে আনার খাচ্ছেন এবং চাষপদ্ধতি সম্পর্কে জানতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। তার দাবি, আগে বাংলাদেশের মাটিতে আনার চাষ নিয়ে অনেকের সংশয় থাকলেও এখন সেই ধারণা বদলাতে শুরু করেছে।

শুভর মতে, বাংলাদেশে আনার চাষ আগে থেকেই সম্ভব ছিল। কিন্তু উপযুক্ত জাতের অভাব এবং নার্সারিগুলোর সীমাবদ্ধতার কারণে কৃষকরা বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হতে পারেননি। তিনি মনে করেন, এই চাষ ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়লে একসময় বাংলাদেশে আনার আমদানির প্রয়োজন হবে না, বরং দেশ থেকে আনার রপ্তানিও সম্ভব হবে।

বিষয়: বাণিজ্যসফলবাগানচাষ
সর্বশেষ
  • ১

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ২

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৩

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৪

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

  • ৫

    ‘২৪ ঘণ্টা হল খোলা চাই, এইখানে একটা মিসলিডিং আছে’

সম্পর্কিত
  • ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ বৃহস্পতিবার ইসি জানিয়েছে, আগামী ২৯ অক্টোবর এ আসনে উপনির্বাচন হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন কমিশন তফসিল চূড়ান্ত করার পর ইসি সচিব আখতার আহমেদ তা ঘোষণা করেন। তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং ক

  • হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

    জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার কাফরুল থানার হত্যা মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে আদালত। আজ বৃহস্পতিবার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।

  • মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

    শান্তর মামা মিরাজ অভিযোগ করেন, দীর্ঘ সময় নদীর পাড়ে এভাবে বাঁধা অবস্থায় থাকলে জোয়ারের পানিতে ডুবে শান্ত মারা যেতে পারতেন। পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে নদীর পাড়ে রশি দিয়ে হাত-পা ও মুখ বেঁধে রেখে যাওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

  • ধানমন্ডি ও মহাখালীর দুই ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে

    ধানমন্ডি ও মহাখালীর দুই ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে

    রাজধানীর ধানমন্ডি ও মহাখালীতে দুই ভবনে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটের চেষ্টায় মহাখালীর এসকেএস শপিং মলের পেছনে পুরোনো ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর দুপুর ১২টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিটের চেষ্টায় ধানমন্ডি ২৭-এ অ্যাপেক