নবাগত ইন্দোনেশিয়ার জন্য ম্যাচটা ইতিহাসের, নারী এশিয়া কাপে যে এটি তাদের প্রথম লড়াই। বল হাতে ভালো করলেও ব্যাট হাতে পাত্তাই পেল না বাংলাদেশের কাছে। বড় জয়ে আসর শুরু নিগার সুলতানাদের।
অনভিজ্ঞ ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ করেছে ৮ উইকেটে মাত্র ১২৯ রান। অথচ একপর্যায়ে স্কোর ছিল ১৭ ওভারে ৪ উইকেটে ১০৫। শেষের দিকে স্বর্ণা আক্তার ক্যামিও না খেললে জেতাটা সহজ নাও হতে পারত।
যদিও বোলাররা ইন্দোনেশিয়াকে মাত্র ৫৮ রানেই গুটিয়ে দিয়ে এনে দিয়েছেন ৭১ রানের জয়। ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের অন্য দুই প্রতিপক্ষ সংযুক্ত আরব আমিরাত ও শ্রীলঙ্কা।
যুহাইরিয়া শুরুতে ফিরলেও টপ অর্ডারের সবাই কমবেশি অবদান রেখে ভালো একটা ভিত এনে দেন। অভিজ্ঞ ওপেনার দিলারা আক্তার কিছুটা ধীরগতির ইনিংস খেলেন। তবে তার ৩১ বলে ২৭ রান দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
তিনে নেমে দলীয় সর্বোচ্চ ৪০ রান করেন ফর্মে থাকা সোবহানা মোস্তারি। সাম্প্রতিক সময়ে দলের অন্যতম সেরা এই পারফর্মার ইনিংস সাজান মাত্র দুই চার ও এক ছক্কায়। সিঙ্গেলস-ডাবলসে ভরসা করেই রান বের করার চেষ্টা ছিল তার ব্যাটে।
১৭তম ওভারে তার বিদায়ের পরই ভেঙে পড়ে মিডল অর্ডার। ইন্দোনেশিয়ার বোলাররা সেই সময়ে ভালোই চেপে ধরেছিল বাংলাদেশকে। অন্যদের ব্যর্থতার দিনে একাই দাঁড়িয়ে যান স্বর্ণা। ১৭৩ স্ট্রাইক রেটে খেলেন অপরাজিত ৩১ রানের ইনিংস, আর সেটাই দুই দলের মাঝে গড়ে দেয় ব্যবধান।
অন্যবারের মতো এবার অবশ্য প্রথম ওভারেই উইকেট নিতে পারেননি মারুফা আক্তার। তবে দলীয় তৃতীয় ও নিজের দ্বিতীয় ওভারে ইন্দোনেশিয়ার প্রথম উইকেটের পতন হয় তার হাত ধরেই।
এরপর কয়েক ওভার কিছুটা আগ্রাসন দেখালেও বাংলাদেশের অভিজ্ঞ বোলারদের সামনে আর পেরে ওঠেনি ইন্দোনেশিয়া। ওপেনার মারিয়া কোরাজন (১২) ছাড়া আর কেউই পারেননি দুই অঙ্কের ঘরে যেতে।
১৫ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন বাঁহাতি স্পিনার নাহিদা আক্তার। মারুফা ২ উইকেট নেন মাত্র ৬ রান দিয়ে।