চরচা প্রতিবেদক

সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আইনের ঊর্ধ্বে নন বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াত ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর মিন্টু রোডের বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবন এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন ইঙ্গিত দেন।
সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে জুলাই হত্যার জন্য জামায়াত ইসলামী মামলা করবে কি না এমন এক প্রশ্নের জবাবে শফিকুর রহমান বলেছেন, “যদি সে রকমের কোনো ক্রেডিবল আলামত পাওয়া যায়, তাহলে কোনো ব্যক্তিই আইনের ঊর্ধ্বে নয়।”
জুলাই আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের সময় রাষ্ট্রপতির ‘নীরব’ থাকা প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, “নীরব কেন? তিনি নীরবে সাহায্য করেছেন।”
এ প্রসঙ্গে জামায়াত আমির আরও বলেন, ‘‘তার দায়ভার আছে। তিনি তা অস্বীকার করতে পারেন না। তিনি গার্ডিয়ান হিসেবে ব্যর্থ। তিনি তার দায়িত্ব পালন করেননি। তিনি এই গণহত্যার বিরুদ্ধে একটি শব্দও উচ্চারণ করেন নি। ‘এটা থামাও’, ‘এটা অন্যায্য’, ‘জনগণের ওপর এটা জুলুম’— এ ধরনের কোনো কথা আমরা তার মুখে শুনতে পাইনি।”
সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের দেশ ছেড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে জামায়াত আমির বলেন, “না উনি দেশ ছেড়ে যাওয়ার কথা আমি শুনি নাই। উনার বক্তব্যে যেটা আজকে পেয়েছি, যে তিনি গুরুতর অসুস্থ। মাঝে মাঝে ফিন্টিং অ্যাটাকে পড়ে যান। এ জন্য তিনি দেশের বাইরে গিয়ে চিকিৎসা নিতে চান এবং বিশ্রামে থাকতে চান। সেটা সরকার দেখবে, আমরাও খেয়াল রাখব।”
উনার চিকিৎসা দেশে সম্ভব কি না জানতে চাইলে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, “আমি মনে করি, সব চিকিৎসাই দেশে সম্ভব।” তিনি আরও বলেন, “এমনকি যদি প্রয়োজন হয়, বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞ আনাও যেতে পারে, এটায় কোন সমস্যা নেই।”
নিজের দেশে চিকিৎসা নেওয়ার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, “কারণ আমারও তো একটি জটিল রোগ হয়েছিল, আমাকেও তো ডাক্তার পর্যন্ত রিকমেন্ড করেছিল বাইরে যেতে, আমি তো যাইনি। আমি তো এখানেই চিকিৎসা নিয়েছি। আমি চাই যে সবাই যেন এখানেই চিকিৎসা নেন।”
আগামীতে কেমন রাষ্ট্রপতি চান জানতে চাইলে জামায়াত ইসলামীর আমির বলেন, “আমরা তো প্রেসিডেন্টের মর্যাদায় প্রেসিডেন্টকে দেখতে চাই। কোনো তোষামোদকারী দেখতে চাই না।”

সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আইনের ঊর্ধ্বে নন বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াত ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর মিন্টু রোডের বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবন এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন ইঙ্গিত দেন।
সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে জুলাই হত্যার জন্য জামায়াত ইসলামী মামলা করবে কি না এমন এক প্রশ্নের জবাবে শফিকুর রহমান বলেছেন, “যদি সে রকমের কোনো ক্রেডিবল আলামত পাওয়া যায়, তাহলে কোনো ব্যক্তিই আইনের ঊর্ধ্বে নয়।”
জুলাই আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের সময় রাষ্ট্রপতির ‘নীরব’ থাকা প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, “নীরব কেন? তিনি নীরবে সাহায্য করেছেন।”
এ প্রসঙ্গে জামায়াত আমির আরও বলেন, ‘‘তার দায়ভার আছে। তিনি তা অস্বীকার করতে পারেন না। তিনি গার্ডিয়ান হিসেবে ব্যর্থ। তিনি তার দায়িত্ব পালন করেননি। তিনি এই গণহত্যার বিরুদ্ধে একটি শব্দও উচ্চারণ করেন নি। ‘এটা থামাও’, ‘এটা অন্যায্য’, ‘জনগণের ওপর এটা জুলুম’— এ ধরনের কোনো কথা আমরা তার মুখে শুনতে পাইনি।”
সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের দেশ ছেড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে জামায়াত আমির বলেন, “না উনি দেশ ছেড়ে যাওয়ার কথা আমি শুনি নাই। উনার বক্তব্যে যেটা আজকে পেয়েছি, যে তিনি গুরুতর অসুস্থ। মাঝে মাঝে ফিন্টিং অ্যাটাকে পড়ে যান। এ জন্য তিনি দেশের বাইরে গিয়ে চিকিৎসা নিতে চান এবং বিশ্রামে থাকতে চান। সেটা সরকার দেখবে, আমরাও খেয়াল রাখব।”
উনার চিকিৎসা দেশে সম্ভব কি না জানতে চাইলে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, “আমি মনে করি, সব চিকিৎসাই দেশে সম্ভব।” তিনি আরও বলেন, “এমনকি যদি প্রয়োজন হয়, বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞ আনাও যেতে পারে, এটায় কোন সমস্যা নেই।”
নিজের দেশে চিকিৎসা নেওয়ার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, “কারণ আমারও তো একটি জটিল রোগ হয়েছিল, আমাকেও তো ডাক্তার পর্যন্ত রিকমেন্ড করেছিল বাইরে যেতে, আমি তো যাইনি। আমি তো এখানেই চিকিৎসা নিয়েছি। আমি চাই যে সবাই যেন এখানেই চিকিৎসা নেন।”
আগামীতে কেমন রাষ্ট্রপতি চান জানতে চাইলে জামায়াত ইসলামীর আমির বলেন, “আমরা তো প্রেসিডেন্টের মর্যাদায় প্রেসিডেন্টকে দেখতে চাই। কোনো তোষামোদকারী দেখতে চাই না।”