চরচা প্রতিবেদক

শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের নির্বাচনে প্রার্থীতার বিরুদ্ধে আপিলের সময় শেষ হয়েছে আজ মঙ্গলবার। নির্ধারিত সময়ে দুটি আসনে রিটার্নিং কর্মকর্তা কর্তৃক বৈধ ঘোষিত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো আপত্তি জমা পড়েনি বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
মঙ্গলবার ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার বরাতে জানা গেছে, তফসিল অনুযায়ী আজ ১০ মার্চ বিকাল ৪টা পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সময় নির্ধারিত ছিল। এ সময়ে কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে আপত্তি সংক্রান্ত আপিল জমা পড়েনি।
নির্বাচন পরিচালনা শাখার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আপিল জমা না পড়ায় আগামী ১৪ মার্চ প্রার্থিতা প্রত্যাহার এবং ১৫ মার্চ প্রতীক বরাদ্দ দেয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে প্রার্থীদের।
উল্লেখ্য, আগামী ৯ এপ্রিল এ দুটি আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে শেরপুর-৩ আসনের একজন বৈধ প্রার্থী মৃত্যুবরণ করায় ভোট স্থগিত করে ইসি। পরবর্তীতে নতুন তফসিল দিয়ে নির্বাচনের আয়োজন করছে নির্বাচন আয়োজনকারী সংস্থাটি।
অন্যদিকে বগুড়া-৬ আসনে অনুষ্ঠিত হবে উপনির্বাচন। এই আসনে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জয়ী হন। কিন্তু সংসদে একই সঙ্গে দুইটি আসনের সদস্য থাকার আইন না থাকায় ঢাকা-১৭ আসনটি ধরে রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন তিনি। পরবর্তী আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নতুন করে তফসিল ঘোষণা করা হয়।
শেরপুর-৩ আসনে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের আবুল তালেব মো. সাইফুদ্দিন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদুর রহমান, স্বতন্ত্র থেকে মো. আমিনুল ইসলাম, বিএনপির মো. মাহমুদুল হক রুবেল ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মো. মিজানুর রহমান মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। ইতিমধ্যে বাছাই কার্যক্রম শেষ হয়েছে।
বগুড়া-৬ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. আবিদুর রহমান, বিএনপির মো. রেজাউল করিম বাদশা ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মো. আল আলিম তালুকদার মনোনয়নপত্র দাখিলন করেছিলেন। এখানেও রিটার্নিং কর্মকর্তা বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন।
দুই আসনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামীকাল আপিল নিষ্পত্তি হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৪ মার্চ। প্রতীক বরাদ্দ ১৫ই মার্চ। ভোট গ্রহণ হবে ৯ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের নির্বাচনে প্রার্থীতার বিরুদ্ধে আপিলের সময় শেষ হয়েছে আজ মঙ্গলবার। নির্ধারিত সময়ে দুটি আসনে রিটার্নিং কর্মকর্তা কর্তৃক বৈধ ঘোষিত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো আপত্তি জমা পড়েনি বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
মঙ্গলবার ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার বরাতে জানা গেছে, তফসিল অনুযায়ী আজ ১০ মার্চ বিকাল ৪টা পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সময় নির্ধারিত ছিল। এ সময়ে কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে আপত্তি সংক্রান্ত আপিল জমা পড়েনি।
নির্বাচন পরিচালনা শাখার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আপিল জমা না পড়ায় আগামী ১৪ মার্চ প্রার্থিতা প্রত্যাহার এবং ১৫ মার্চ প্রতীক বরাদ্দ দেয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে প্রার্থীদের।
উল্লেখ্য, আগামী ৯ এপ্রিল এ দুটি আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে শেরপুর-৩ আসনের একজন বৈধ প্রার্থী মৃত্যুবরণ করায় ভোট স্থগিত করে ইসি। পরবর্তীতে নতুন তফসিল দিয়ে নির্বাচনের আয়োজন করছে নির্বাচন আয়োজনকারী সংস্থাটি।
অন্যদিকে বগুড়া-৬ আসনে অনুষ্ঠিত হবে উপনির্বাচন। এই আসনে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জয়ী হন। কিন্তু সংসদে একই সঙ্গে দুইটি আসনের সদস্য থাকার আইন না থাকায় ঢাকা-১৭ আসনটি ধরে রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন তিনি। পরবর্তী আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নতুন করে তফসিল ঘোষণা করা হয়।
শেরপুর-৩ আসনে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের আবুল তালেব মো. সাইফুদ্দিন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদুর রহমান, স্বতন্ত্র থেকে মো. আমিনুল ইসলাম, বিএনপির মো. মাহমুদুল হক রুবেল ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মো. মিজানুর রহমান মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। ইতিমধ্যে বাছাই কার্যক্রম শেষ হয়েছে।
বগুড়া-৬ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. আবিদুর রহমান, বিএনপির মো. রেজাউল করিম বাদশা ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মো. আল আলিম তালুকদার মনোনয়নপত্র দাখিলন করেছিলেন। এখানেও রিটার্নিং কর্মকর্তা বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন।
দুই আসনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামীকাল আপিল নিষ্পত্তি হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৪ মার্চ। প্রতীক বরাদ্দ ১৫ই মার্চ। ভোট গ্রহণ হবে ৯ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।