চরচা প্রতিবেদক

আর্জেন্টিনার সঙ্গে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়লেও শেষ পর্যন্ত আর পেরে ওঠেনি কেপ ভার্দে। তাদের পর আফ্রিকার প্রতিনিধিত্ব ছিল কেবল ঘানার। তবে কলম্বিয়ার কাছে হেরে তারাও বিদায় নিল রাউন্ড অব ৩২ থেকেই।
কানসাস সিটিতে ঘানাকে ১-০ গোলে হারিয়ে শেষ দল হিসেবে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেছে কলম্বিয়া। এই রাউন্ডে তাদের প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড।
ম্যাচের একমাত্র গোলটি আসে ১৪তম মিনিটে। চোট পেয়ে জোন কর্দোবা মাঠ ছাড়ার পর বদলি হিসেবে নেমেই ব্যবধান গড়ে দেন ২৮ বছর বয়সী লুইস সুয়ারেস। তার নিখুঁত ক্রস খুঁজে নেয় ফাঁকায় থাকা জন আরিয়াসকে। এরপর সহজেই বল জালে পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।
গ্রুপ পর্বে পর্তুগালকে পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল কলম্বিয়া। দলটির দুর্দান্ত পথচলায় বড় অবদান ছিল উইঙ্গার লুইস দিয়াজের। এই ম্যাচেও ডান দিকে বারবার তিনি সমস্যার ফেলেছেন ঘানার ডিফেন্ডারদের। গোল না পেলেও ম্যাচে তার প্রভাব ছিল দেখার মত।
সেই ধারায় বিরতির আগে গোলের কয়েকটি সুযোগ পায় কলম্বিয়া, যা তারা কাজে লাগাতে পারেনি। বক্সে একবার ফাঁকায় বল পেলেও তা পোষ্টের বাইরে মারেন দিয়াজ। এরপর জোহান মোহিকার শক্তিশালী হেড চমৎকার ক্ষিপ্রতায় ফিরিয়ে দেন ঘানার গোলকিপার লরেন্স আতি জিগি।
দ্বিতীয়ার্ধে ঘানার জালে আবার বল পাঠিয়েছিল কলম্বিয়া। দূরের পোস্টে দিয়াজের সেই গোল অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। কিছুক্ষণ পর দিয়াজের আরেকটি জোরালো শট রুখে দেন আতি জিগি।
শেষ দিকে ঘানা কিছুটা আক্রমণ গড়ে তুললেও কলম্বিয়াকে সমস্যায় ফেলার মত সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। আক্রমণের খেলোয়াড়দের ব্যর্থতাই মূলত দলটিকে ডুবিয়েছে এই ম্যাচে। ৯০ মিনিটে একটি শটও ঘানা রাখতে পারেনি লক্ষ্যে। অন্যদিকে কলম্বিয়ার ৮টি শট ছিল লক্ষ্যে।

আর্জেন্টিনার সঙ্গে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়লেও শেষ পর্যন্ত আর পেরে ওঠেনি কেপ ভার্দে। তাদের পর আফ্রিকার প্রতিনিধিত্ব ছিল কেবল ঘানার। তবে কলম্বিয়ার কাছে হেরে তারাও বিদায় নিল রাউন্ড অব ৩২ থেকেই।
কানসাস সিটিতে ঘানাকে ১-০ গোলে হারিয়ে শেষ দল হিসেবে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেছে কলম্বিয়া। এই রাউন্ডে তাদের প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড।
ম্যাচের একমাত্র গোলটি আসে ১৪তম মিনিটে। চোট পেয়ে জোন কর্দোবা মাঠ ছাড়ার পর বদলি হিসেবে নেমেই ব্যবধান গড়ে দেন ২৮ বছর বয়সী লুইস সুয়ারেস। তার নিখুঁত ক্রস খুঁজে নেয় ফাঁকায় থাকা জন আরিয়াসকে। এরপর সহজেই বল জালে পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।
গ্রুপ পর্বে পর্তুগালকে পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল কলম্বিয়া। দলটির দুর্দান্ত পথচলায় বড় অবদান ছিল উইঙ্গার লুইস দিয়াজের। এই ম্যাচেও ডান দিকে বারবার তিনি সমস্যার ফেলেছেন ঘানার ডিফেন্ডারদের। গোল না পেলেও ম্যাচে তার প্রভাব ছিল দেখার মত।
সেই ধারায় বিরতির আগে গোলের কয়েকটি সুযোগ পায় কলম্বিয়া, যা তারা কাজে লাগাতে পারেনি। বক্সে একবার ফাঁকায় বল পেলেও তা পোষ্টের বাইরে মারেন দিয়াজ। এরপর জোহান মোহিকার শক্তিশালী হেড চমৎকার ক্ষিপ্রতায় ফিরিয়ে দেন ঘানার গোলকিপার লরেন্স আতি জিগি।
দ্বিতীয়ার্ধে ঘানার জালে আবার বল পাঠিয়েছিল কলম্বিয়া। দূরের পোস্টে দিয়াজের সেই গোল অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। কিছুক্ষণ পর দিয়াজের আরেকটি জোরালো শট রুখে দেন আতি জিগি।
শেষ দিকে ঘানা কিছুটা আক্রমণ গড়ে তুললেও কলম্বিয়াকে সমস্যায় ফেলার মত সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। আক্রমণের খেলোয়াড়দের ব্যর্থতাই মূলত দলটিকে ডুবিয়েছে এই ম্যাচে। ৯০ মিনিটে একটি শটও ঘানা রাখতে পারেনি লক্ষ্যে। অন্যদিকে কলম্বিয়ার ৮টি শট ছিল লক্ষ্যে।