চরচা প্রতিবেদক

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, সার্বিক রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি এবং ব্যয়ের অগ্রগতি বিবেচনায় চলতি চলতি অর্থবছরের বাজেটে সংশোধন ও সমন্বয় এনেছে সরকার। মূল বাজেটের তুলনায় সংশোধিত বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে ২ লাখ কোটি টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩.৩ শতাংশ।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদে চলতি অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট এবং আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন শুরু হয়।
এদিকে ২০২৬-২৭ সালের বাজেটে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি রেকর্ড ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার নিট ঘাটতি রাখা হয়েছে। সাধারণ করদাতাদের স্বস্তি দিতে পাঁচ বছরের আয়কর রোডম্যাপ ঘোষণার পাশাপাশি দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা ও নিত্যপণ্যের বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে কর কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদের বিশেষ বৈঠকে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই বাজেট অনুমোদন দেয়া হয়।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, সার্বিক রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি এবং ব্যয়ের অগ্রগতি বিবেচনায় চলতি চলতি অর্থবছরের বাজেটে সংশোধন ও সমন্বয় এনেছে সরকার। মূল বাজেটের তুলনায় সংশোধিত বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে ২ লাখ কোটি টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩.৩ শতাংশ।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদে চলতি অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট এবং আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন শুরু হয়।
এদিকে ২০২৬-২৭ সালের বাজেটে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি রেকর্ড ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার নিট ঘাটতি রাখা হয়েছে। সাধারণ করদাতাদের স্বস্তি দিতে পাঁচ বছরের আয়কর রোডম্যাপ ঘোষণার পাশাপাশি দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা ও নিত্যপণ্যের বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে কর কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদের বিশেষ বৈঠকে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই বাজেট অনুমোদন দেয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা আরও বলেন, “সামনের দিনগুলোতে নানা চ্যালেঞ্জ থাকবে, তবে আমরা সবাই যদি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উন্নয়ন ও উৎপাদনের মাধ্যমে দেশ গড়ার কাজে অংশ নিই, তাহলে বাংলাদেশ অবশ্যই অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাবে।”

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে পোল্ট্রি, ডেইরি ও মৎস্য খাতকে সম্প্রসারণে বেশ কিছু ঘোষণা করেছে সরকার। এই তিনটি খাতের খাদ্য উৎপাদনকারী শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা প্রদান করবে সরকার। এর বাইরে পোল্ট্রি ও ডেইরি খাতের যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে রেয়াতি সুবিধাও দেবে সরকার।