চরচা ডেস্ক

আদালতের চলমান বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে যদি আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ না করার সিদ্ধান্ত হয়, তবে দলটি আবার তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু করতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।
বর্তমানে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থগিতের মুখোমুখি থাকা দলটির সমর্থকদের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘‘আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকেও জানানো হয়েছে যে তদন্ত চলছে। এই প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের অপেক্ষা করা উচিত।’’
তথ্য উপদেষ্টা যোগ করেন, ‘‘সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত যদি শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেন যে দলটিকে নিষিদ্ধ করা হবে না—এবং আমি আবারও বলছি যে এটি সম্পূর্ণ আদালতের এখতিয়ার—তাহলে তারা তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরায় শুরু করতে পারবে।’’
জাহেদ উর রহমান উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগ দল হিসেবে নিষিদ্ধ হয়নি, তবে তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বর্তমানে স্থগিত রয়েছে।
আলাদা এক প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘‘ভারতে অবস্থানরত পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের উসকানিমূলক বক্তব্যের বিষয়টি দিল্লির কাছে উত্থাপন করবে সরকার।’’
তিনি বলেন, “ওই নেতাদের অনেকেই বিভিন্ন ফৌজদারি মামলার আসামি এবং তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে, আবার কেউ কেউ ইতিমধ্যে সাজাপ্রাপ্ত। বক্তব্য দেওয়া তো দূরের কথা, তাদের আমাদের কাছে হস্তান্তর করার কথা। আমরা রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নিয়মিত এই বিষয়টি উত্থাপন করছি এবং ভবিষ্যতেও এটি করে যাব।”
ভারতে অবস্থান করে আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াসহ অন্যান্যদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া উসকানিমূলক বক্তব্যের দিকে ইঙ্গিত করে উপদেষ্টা বলেন, ‘‘তারা ভারতে অবস্থান করে এসব কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে—আপনার এই পর্যবেক্ষণের সাথে আমি একমত। রাষ্ট্রীয় পক্ষ থেকে আমরা আগেও এই বিষয়টি উত্থাপন করেছি এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখব।’’
তুরাগ নদের কাছে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো ঘিরে ছড়ানো ‘অপপ্রচার’ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘সেখানে কিছু মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং এমনটা হওয়া উচিত হয়নি। সরকার এই ঘটনার পেছনে কেউ জড়িত আছে কি না তা তদন্ত করে দেখবে, যা সরকারের স্বাভাবিক দায়িত্বের অংশ।’’

আদালতের চলমান বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে যদি আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ না করার সিদ্ধান্ত হয়, তবে দলটি আবার তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু করতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।
বর্তমানে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থগিতের মুখোমুখি থাকা দলটির সমর্থকদের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার আহ্বান জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘‘আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকেও জানানো হয়েছে যে তদন্ত চলছে। এই প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের অপেক্ষা করা উচিত।’’
তথ্য উপদেষ্টা যোগ করেন, ‘‘সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত যদি শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেন যে দলটিকে নিষিদ্ধ করা হবে না—এবং আমি আবারও বলছি যে এটি সম্পূর্ণ আদালতের এখতিয়ার—তাহলে তারা তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরায় শুরু করতে পারবে।’’
জাহেদ উর রহমান উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগ দল হিসেবে নিষিদ্ধ হয়নি, তবে তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বর্তমানে স্থগিত রয়েছে।
আলাদা এক প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘‘ভারতে অবস্থানরত পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের উসকানিমূলক বক্তব্যের বিষয়টি দিল্লির কাছে উত্থাপন করবে সরকার।’’
তিনি বলেন, “ওই নেতাদের অনেকেই বিভিন্ন ফৌজদারি মামলার আসামি এবং তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে, আবার কেউ কেউ ইতিমধ্যে সাজাপ্রাপ্ত। বক্তব্য দেওয়া তো দূরের কথা, তাদের আমাদের কাছে হস্তান্তর করার কথা। আমরা রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নিয়মিত এই বিষয়টি উত্থাপন করছি এবং ভবিষ্যতেও এটি করে যাব।”
ভারতে অবস্থান করে আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াসহ অন্যান্যদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া উসকানিমূলক বক্তব্যের দিকে ইঙ্গিত করে উপদেষ্টা বলেন, ‘‘তারা ভারতে অবস্থান করে এসব কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে—আপনার এই পর্যবেক্ষণের সাথে আমি একমত। রাষ্ট্রীয় পক্ষ থেকে আমরা আগেও এই বিষয়টি উত্থাপন করেছি এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখব।’’
তুরাগ নদের কাছে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো ঘিরে ছড়ানো ‘অপপ্রচার’ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘সেখানে কিছু মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং এমনটা হওয়া উচিত হয়নি। সরকার এই ঘটনার পেছনে কেউ জড়িত আছে কি না তা তদন্ত করে দেখবে, যা সরকারের স্বাভাবিক দায়িত্বের অংশ।’’