চরচা প্রতিবেদক

২০১৪ বিশ্বকাপ জেতার পর থেকে উল্টো পথে চলা জার্মানির ফুটবল কিছুতেই যেন নিজেদের ফিরে পাচ্ছে না। রেফারির বিতর্কিত একটি সিদ্ধান্ত নিজেদের পক্ষে না যাওয়ার আক্ষেপ থাকতেই পারে দলটির। তবে বিশ্বকাপ এলেই যে দলটি অগ্নিমূর্তি ধারণ করত, সেই দলটি আরও একবার খালি হাতেই বাড়ি ফিরল। প্যারাগুয়ের কাছে টাইব্রেকারে হেরে আগেভাগেই বিদায় নিশ্চিত হয়েছে ইউলিয়ান নাগেলসমানের দলের।
এবারের বিশ্বকাপের প্রথম অঘটনের জন্ম দিয়ে রাউন্ড অব ৩২-এর তৃতীয় ম্যাচে টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়েছে প্যারাগুয়ে। ১২০ মিনিটের লড়াই শেষ হয়েছিল ১-১ সমতায়।
এর মধ্য দিয়ে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবার বিশ্বকাপে টাইব্রেকারে হেরে গেছে জার্মানি। এর আগে ১৯৮২, ১৯৮৬, ১৯৯০ ও ২০০৬ সালে টানা জিতেছিল তারা। আর এই পরাজয়ে টানা তিন বিশ্বকাপে শেষ আটের আগেই বিদায় নিয়েছে জার্মানি।
ম্যাচে স্পষ্ট প্রাধান্য ও তারকায় ভরা আক্রমণভাগ নিয়েও গোলের সামনে জার্মানি সেভাবে প্রভাব দেখাতে পারেনি। ৭৬% পজেশন নিয়েও মাত্র দুটি বড় সুযোগ তারা তৈরি করতে সমর্থ হয়। জার্মানির ৭১৯টি পাসের বিপরীতে প্যারাগুয়ের পাস ছিল মাত্র ১৬১টি!
তবে গোলের খেলা ফুটবলে গোল এবং ফলাফলই শেষ কথা। আর সেদিক থেকে শতভাগ সফল প্যারাগুয়ে। যদিও অতিরিক্ত সময়ে জার্মানির একটি বাতিল হওয়া গোল নিয়ে ইতিমধ্যেই তুমুল আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
কর্নার থেকে বক্সের মধ্যে জটলায় জার্মান ডিফেন্ডার ভালদেমার আন্তনের বিপক্ষে প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিলকে ফাউলের সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। জোনাথন তাহ বল জালে জড়ালেও তাই সেটা বাতিল হয়ে যায়। রেফারি এরপর খেলা চালিয়ে গেলেও ভিএআরে তাকে আবার ফাউলটি পুনরায় দেখতে বলা হয়।
রিপ্লে দেখেও নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন রেফারি, যা ক্ষুব্ধ করে তোলে জার্মানি দলকে। কারণ, ওই ফাউলের ঠিক পরই উঠে দাঁড়িয়ে বল ঠেকানোর চেষ্টা করার মতো সময় পেয়েছিলেন প্যারাগুয়ে গোলকিপার।
সেই গোল বাতিল হওয়াটাই শেষ পর্যন্ত জার্মানির বিদায়ের কারণ হয়েছেও। যদিও টাইব্রেকারে ইতিহাস তাদের পক্ষেই ছিল। তবে নিক ভল্টেমাডের পর তাহও লক্ষ্যভেদ করতে ব্যর্থ হন।
এর আগে ৯০ ও অতিরিক্ত সময়ে জমাট রক্ষণে জার্মানির কঠিন পরীক্ষাই নেয় প্যারাগুয়ে। পাল্টা আক্রমণে উঠে প্রতিপক্ষকে চমকে দেওয়াই ছিল তাদের মূল কৌশল।
৪২তম মিনিটে তেমনই একটি আক্রমণ থেকে ডান প্রান্ত দিয়ে ওভারল্যাপিং করে জায়গা করে নেন মাতিয়াস গালার্সা। তার নিচু ক্রসে ছয় গজের বক্সে খুঁজে নেয় একদম ফাঁকায় থাকা হুলিও এনসিসোকে। তিনি হেডে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে মানুয়েল নয়ারকে অনায়াসেই পরাস্ত করেন।
৫৪তম মিনিটে জার্মানির হয়ে গোলের দেখা পান কাই হাভার্টজ। বাকি সময়ে আক্রমণের ঢেউ তুলেও কাজের কাজটা আর করতে পারেনি জার্মানি। সঙ্গে যোগ হয় অতিরিক্ত সময়ের বিতর্কিত এই গোল বাতিলের সেই সিদ্ধান্ত, যা নিশ্চিতভাবেই আক্ষেপ বাড়াবে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।

২০১৪ বিশ্বকাপ জেতার পর থেকে উল্টো পথে চলা জার্মানির ফুটবল কিছুতেই যেন নিজেদের ফিরে পাচ্ছে না। রেফারির বিতর্কিত একটি সিদ্ধান্ত নিজেদের পক্ষে না যাওয়ার আক্ষেপ থাকতেই পারে দলটির। তবে বিশ্বকাপ এলেই যে দলটি অগ্নিমূর্তি ধারণ করত, সেই দলটি আরও একবার খালি হাতেই বাড়ি ফিরল। প্যারাগুয়ের কাছে টাইব্রেকারে হেরে আগেভাগেই বিদায় নিশ্চিত হয়েছে ইউলিয়ান নাগেলসমানের দলের।
এবারের বিশ্বকাপের প্রথম অঘটনের জন্ম দিয়ে রাউন্ড অব ৩২-এর তৃতীয় ম্যাচে টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়েছে প্যারাগুয়ে। ১২০ মিনিটের লড়াই শেষ হয়েছিল ১-১ সমতায়।
এর মধ্য দিয়ে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবার বিশ্বকাপে টাইব্রেকারে হেরে গেছে জার্মানি। এর আগে ১৯৮২, ১৯৮৬, ১৯৯০ ও ২০০৬ সালে টানা জিতেছিল তারা। আর এই পরাজয়ে টানা তিন বিশ্বকাপে শেষ আটের আগেই বিদায় নিয়েছে জার্মানি।
ম্যাচে স্পষ্ট প্রাধান্য ও তারকায় ভরা আক্রমণভাগ নিয়েও গোলের সামনে জার্মানি সেভাবে প্রভাব দেখাতে পারেনি। ৭৬% পজেশন নিয়েও মাত্র দুটি বড় সুযোগ তারা তৈরি করতে সমর্থ হয়। জার্মানির ৭১৯টি পাসের বিপরীতে প্যারাগুয়ের পাস ছিল মাত্র ১৬১টি!
তবে গোলের খেলা ফুটবলে গোল এবং ফলাফলই শেষ কথা। আর সেদিক থেকে শতভাগ সফল প্যারাগুয়ে। যদিও অতিরিক্ত সময়ে জার্মানির একটি বাতিল হওয়া গোল নিয়ে ইতিমধ্যেই তুমুল আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
কর্নার থেকে বক্সের মধ্যে জটলায় জার্মান ডিফেন্ডার ভালদেমার আন্তনের বিপক্ষে প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিলকে ফাউলের সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। জোনাথন তাহ বল জালে জড়ালেও তাই সেটা বাতিল হয়ে যায়। রেফারি এরপর খেলা চালিয়ে গেলেও ভিএআরে তাকে আবার ফাউলটি পুনরায় দেখতে বলা হয়।
রিপ্লে দেখেও নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন রেফারি, যা ক্ষুব্ধ করে তোলে জার্মানি দলকে। কারণ, ওই ফাউলের ঠিক পরই উঠে দাঁড়িয়ে বল ঠেকানোর চেষ্টা করার মতো সময় পেয়েছিলেন প্যারাগুয়ে গোলকিপার।
সেই গোল বাতিল হওয়াটাই শেষ পর্যন্ত জার্মানির বিদায়ের কারণ হয়েছেও। যদিও টাইব্রেকারে ইতিহাস তাদের পক্ষেই ছিল। তবে নিক ভল্টেমাডের পর তাহও লক্ষ্যভেদ করতে ব্যর্থ হন।
এর আগে ৯০ ও অতিরিক্ত সময়ে জমাট রক্ষণে জার্মানির কঠিন পরীক্ষাই নেয় প্যারাগুয়ে। পাল্টা আক্রমণে উঠে প্রতিপক্ষকে চমকে দেওয়াই ছিল তাদের মূল কৌশল।
৪২তম মিনিটে তেমনই একটি আক্রমণ থেকে ডান প্রান্ত দিয়ে ওভারল্যাপিং করে জায়গা করে নেন মাতিয়াস গালার্সা। তার নিচু ক্রসে ছয় গজের বক্সে খুঁজে নেয় একদম ফাঁকায় থাকা হুলিও এনসিসোকে। তিনি হেডে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে মানুয়েল নয়ারকে অনায়াসেই পরাস্ত করেন।
৫৪তম মিনিটে জার্মানির হয়ে গোলের দেখা পান কাই হাভার্টজ। বাকি সময়ে আক্রমণের ঢেউ তুলেও কাজের কাজটা আর করতে পারেনি জার্মানি। সঙ্গে যোগ হয় অতিরিক্ত সময়ের বিতর্কিত এই গোল বাতিলের সেই সিদ্ধান্ত, যা নিশ্চিতভাবেই আক্ষেপ বাড়াবে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।