চরচা ডেস্ক

নির্বাচনের আগে, চলাকালীন এবং পরবর্তী সময়ে মানবাধিকার রক্ষা ও উন্নয়নকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। গতকাল শুক্রবার অ্যামনেস্টির ‘হিউম্যান রাইটস প্রায়োরিটিজ অ্যাহেড অব ন্যাশনাল ইলেকশন’ শীর্ষক ১০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে এ আহ্বান জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকার বিতর্কিত সাইবার নিরাপত্তা আইন (সিএসএ) সংশোধনের উদ্যোগ নিলেও এর অপব্যবহার পুরোপুরি থামেনি। উদাহরণ হিসেবে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে মানবাধিকার কর্মী ও লেখক নাহিদ হাসান নলেজের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে মামলা এবং এপ্রিলে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে নিয়ে মন্তব্যের জেরে এক ইমামকে গ্রেপ্তারের ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। সংস্থাটি নতুন সাইবার নিরাপত্তা অধ্যাদেশ (সিএসও)-এর অস্পষ্ট ধারাগুলো সংশোধনের দাবি জানিয়েছে।
সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের নিরাপত্তা নিয়ে অ্যামনেস্টি জানায়, অনেক ক্ষেত্রে ভিন্নমতাবলম্বী বা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শের অনুসারী সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া গত বছরের ডিসেম্বরে বিভিন্ন গণমাধ্যম কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে সংস্থাটি বলেছে, একটি গণতান্ত্রিক সমাজে স্বাধীন গণমাধ্যম অপরিহার্য।
এছাড়া, প্রতিবেদনে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।
রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি সুপারিশসমূহ: রাজনৈতিক দলগুলো যদি ক্ষমতায় আসে, তবে তাদের প্রতি অ্যামনেস্টির প্রধান সুপারিশগুলো হলো-
সংস্থাটি জানিয়েছে, এই বিষয়গুলো কোনো নির্দিষ্ট ক্রমানুসারে নয়, বরং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন অনুযায়ী প্রতিটি সরকারের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে পালন করা উচিত।

নির্বাচনের আগে, চলাকালীন এবং পরবর্তী সময়ে মানবাধিকার রক্ষা ও উন্নয়নকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। গতকাল শুক্রবার অ্যামনেস্টির ‘হিউম্যান রাইটস প্রায়োরিটিজ অ্যাহেড অব ন্যাশনাল ইলেকশন’ শীর্ষক ১০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে এ আহ্বান জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকার বিতর্কিত সাইবার নিরাপত্তা আইন (সিএসএ) সংশোধনের উদ্যোগ নিলেও এর অপব্যবহার পুরোপুরি থামেনি। উদাহরণ হিসেবে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে মানবাধিকার কর্মী ও লেখক নাহিদ হাসান নলেজের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে মামলা এবং এপ্রিলে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে নিয়ে মন্তব্যের জেরে এক ইমামকে গ্রেপ্তারের ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। সংস্থাটি নতুন সাইবার নিরাপত্তা অধ্যাদেশ (সিএসও)-এর অস্পষ্ট ধারাগুলো সংশোধনের দাবি জানিয়েছে।
সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের নিরাপত্তা নিয়ে অ্যামনেস্টি জানায়, অনেক ক্ষেত্রে ভিন্নমতাবলম্বী বা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শের অনুসারী সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া গত বছরের ডিসেম্বরে বিভিন্ন গণমাধ্যম কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে সংস্থাটি বলেছে, একটি গণতান্ত্রিক সমাজে স্বাধীন গণমাধ্যম অপরিহার্য।
এছাড়া, প্রতিবেদনে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।
রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি সুপারিশসমূহ: রাজনৈতিক দলগুলো যদি ক্ষমতায় আসে, তবে তাদের প্রতি অ্যামনেস্টির প্রধান সুপারিশগুলো হলো-
সংস্থাটি জানিয়েছে, এই বিষয়গুলো কোনো নির্দিষ্ট ক্রমানুসারে নয়, বরং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন অনুযায়ী প্রতিটি সরকারের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে পালন করা উচিত।