চরচা ডেস্ক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সন্তানদের রাজনীতিতে ফেরার বিষয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “যদি কেউ জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হয় এবং জনগণ তাদের স্বাগত জানায়, তবে যে কারো রাজনীতি করার অধিকার আছে।”
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার কারণে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে গত বছর ঢাকার একটি আদালত হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর। এই পরিস্থিতি চীনকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের সুযোগ করে দিয়েছে।
জয়ী হলে ভারতের বদলে চীনের দিকে ঝুঁকে পড়বেন কি না–রয়টার্সের এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের সাড়ে ১৭ কোটি মানুষের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য উপযুক্ত অংশীদার প্রয়োজন।
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, “বাংলাদেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে যারা আমাদের দেশের মানুষের জন্য উপযুক্ত প্রস্তাব দেবে, তাদের সবার সঙ্গেই আমাদের বন্ধুত্ব থাকবে। কোনো নির্দিষ্ট দেশের সঙ্গে নয়।”
কর্মসংস্থানের বিষয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, “আমরা যদি সরকারে থাকি, তবে তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য আনতে হবে যাতে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়।”
এছাড়া মিয়ানমারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা যতক্ষণ নিশ্চিত না হবে ততক্ষণ তারা বাংলাদেশে থাকতে পারবেন বলেও মন্তব্য করেন তারেক।
৬০ বছর বয়সী তারেক রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতৃত্ব দিচ্ছেন। গত আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে দীর্ঘদিনের শাসক শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর, গত ডিসেম্বরে তিনি লন্ডন থেকে দীর্ঘ দুই দশকের নির্বাসন কাটিয়ে দেশে ফেরেন। শেখ হাসিনা তারেক রহমানের মা এবং দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে জামায়াতে ইসলামী, যারা এক সময় নিষিদ্ধ থাকলেও এখন বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দল দুটি একসঙ্গে সরকার পরিচালনা করেছিল। ২০২৪ সালের অস্থিরতায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশের পোশাক শিল্প ও অর্থনীতি স্থিতিশীল করতে জামায়াত পুনরায় অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ঐক্য সরকার গঠনের আগ্রহ প্রকাশ করেছিল।
শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে বাংলাদেশ একটি অন্তর্বর্তী সরকারের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।
সাক্ষাৎকারে তারেক বলেন, “আমি আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সঙ্গে কীভাবে সরকার গঠন করতে পারি? তাহলে বিরোধী দলে কারা থাকবে? তারা কতগুলো আসন পাবে তা আমি জানি না, তবে তারা যদি বিরোধী দলে থাকে, আমি আশা করি তারা একটি গঠনমূলক বিরোধী দল হিসেবে ভূমিকা রাখবে।”
তারেক রহমানের সহকারীরা জানিয়েছেন, বিএনপি ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আসনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। দলটি ২৯২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে এবং বাকি আসনগুলো মিত্রদের জন্য ছেড়ে দিয়েছে। তারেক রহমান নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা না জানালেও বলেন, “আমরা আত্মবিশ্বাসী যে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন আমাদের থাকবে।”
জনমত জরিপগুলোতে বিএনপির জয়ের সম্ভাবনা দেখা গেলেও জামায়াত জোটের পক্ষ থেকে কঠিন চ্যালেঞ্জের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এই জোটে জেন-জিদের নিয়ে গড়া দল এনসিপিও রয়েছে, যারা হাসিনা-বিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে উঠে এসেছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সন্তানদের রাজনীতিতে ফেরার বিষয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “যদি কেউ জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হয় এবং জনগণ তাদের স্বাগত জানায়, তবে যে কারো রাজনীতি করার অধিকার আছে।”
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার কারণে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে গত বছর ঢাকার একটি আদালত হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর। এই পরিস্থিতি চীনকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের সুযোগ করে দিয়েছে।
জয়ী হলে ভারতের বদলে চীনের দিকে ঝুঁকে পড়বেন কি না–রয়টার্সের এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের সাড়ে ১৭ কোটি মানুষের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য উপযুক্ত অংশীদার প্রয়োজন।
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, “বাংলাদেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে যারা আমাদের দেশের মানুষের জন্য উপযুক্ত প্রস্তাব দেবে, তাদের সবার সঙ্গেই আমাদের বন্ধুত্ব থাকবে। কোনো নির্দিষ্ট দেশের সঙ্গে নয়।”
কর্মসংস্থানের বিষয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, “আমরা যদি সরকারে থাকি, তবে তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য আনতে হবে যাতে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়।”
এছাড়া মিয়ানমারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা যতক্ষণ নিশ্চিত না হবে ততক্ষণ তারা বাংলাদেশে থাকতে পারবেন বলেও মন্তব্য করেন তারেক।
৬০ বছর বয়সী তারেক রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতৃত্ব দিচ্ছেন। গত আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে দীর্ঘদিনের শাসক শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর, গত ডিসেম্বরে তিনি লন্ডন থেকে দীর্ঘ দুই দশকের নির্বাসন কাটিয়ে দেশে ফেরেন। শেখ হাসিনা তারেক রহমানের মা এবং দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে জামায়াতে ইসলামী, যারা এক সময় নিষিদ্ধ থাকলেও এখন বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দল দুটি একসঙ্গে সরকার পরিচালনা করেছিল। ২০২৪ সালের অস্থিরতায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশের পোশাক শিল্প ও অর্থনীতি স্থিতিশীল করতে জামায়াত পুনরায় অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ঐক্য সরকার গঠনের আগ্রহ প্রকাশ করেছিল।
শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে বাংলাদেশ একটি অন্তর্বর্তী সরকারের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।
সাক্ষাৎকারে তারেক বলেন, “আমি আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সঙ্গে কীভাবে সরকার গঠন করতে পারি? তাহলে বিরোধী দলে কারা থাকবে? তারা কতগুলো আসন পাবে তা আমি জানি না, তবে তারা যদি বিরোধী দলে থাকে, আমি আশা করি তারা একটি গঠনমূলক বিরোধী দল হিসেবে ভূমিকা রাখবে।”
তারেক রহমানের সহকারীরা জানিয়েছেন, বিএনপি ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আসনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। দলটি ২৯২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে এবং বাকি আসনগুলো মিত্রদের জন্য ছেড়ে দিয়েছে। তারেক রহমান নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা না জানালেও বলেন, “আমরা আত্মবিশ্বাসী যে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন আমাদের থাকবে।”
জনমত জরিপগুলোতে বিএনপির জয়ের সম্ভাবনা দেখা গেলেও জামায়াত জোটের পক্ষ থেকে কঠিন চ্যালেঞ্জের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এই জোটে জেন-জিদের নিয়ে গড়া দল এনসিপিও রয়েছে, যারা হাসিনা-বিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে উঠে এসেছে।