চরচা প্রতিবেদক

ফের জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে আফসানা বেগমকে। নতুন এই নিয়োগের ফলে আফসানা বেগম কবি-প্রবন্ধকার এ এইচ এম সাখাওয়াত উল্লাহ টিপুর স্থলাভিষিক্ত হলেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. গোলাম রব্বানী স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘‘জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র আইন, ১৯৯৫ এর ধারা-১০(২) অনুযায়ী মিজ আফসানা বেগমকে অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংগঠন-এর সাথে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে এক বছর মেয়াদে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হলো।’’
গত ১৪ মে জনস্বার্থে জারি করা এই প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে।
আফসানা বেগম চরচাকে বলেন, ‘‘প্রজ্ঞাপনের পর আজই যোগ দিয়েছি। নতুন পরিকল্পনা নিয়ে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব। পাঠক সমাজ তৈরিসহ আগেরবারের বড় কিছু কাজ বাকি আছে, সেগুলোতেও মনযোগ দেব।’’
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন আফসানা বেগম। তখন এই নিয়োগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, অন্যান্য প্রতিষ্ঠান–সংগঠনের সঙ্গে কর্মসম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে এই নিয়োগ দেওয়া হলো। নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দিয়ে নির্ধারিত হবে। তার মেয়াদ হবে দুই বছর।
পরে ২০২৬ সালের ২০ জানুয়ারি আফসানার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করে এ এইচ এম সাখাওয়াত উল্লাহকে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক পদে নিয়োগ দেয় সরকার।
মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই নিয়োগ বাতিলের অভিযোগ করে তখন আফসানা বেগম সাংবাদিকদের জানান, প্রশিক্ষণের জন্য কর্মকর্তা–কর্মচারীদের নিয়ে কক্সবাজার থাকার সময় তিনি প্রজ্ঞাপনের কথা জানতে পারেন। তিনি বলেন, ‘‘আমাকে কী কারণে বাদ দেওয়া হলো তা জানি না। এটা আমার জন্য আকস্মিক। আমি আমার দায়িত্বকালে সাধ্যমতো কাজ করার চেষ্টা করেছি। যেহেতু সরকার আমার বিষয়ে একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাই এ ব্যাপারে কিছু বলার নেই।’’

ফের জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে আফসানা বেগমকে। নতুন এই নিয়োগের ফলে আফসানা বেগম কবি-প্রবন্ধকার এ এইচ এম সাখাওয়াত উল্লাহ টিপুর স্থলাভিষিক্ত হলেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. গোলাম রব্বানী স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘‘জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র আইন, ১৯৯৫ এর ধারা-১০(২) অনুযায়ী মিজ আফসানা বেগমকে অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংগঠন-এর সাথে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে এক বছর মেয়াদে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হলো।’’
গত ১৪ মে জনস্বার্থে জারি করা এই প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে।
আফসানা বেগম চরচাকে বলেন, ‘‘প্রজ্ঞাপনের পর আজই যোগ দিয়েছি। নতুন পরিকল্পনা নিয়ে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব। পাঠক সমাজ তৈরিসহ আগেরবারের বড় কিছু কাজ বাকি আছে, সেগুলোতেও মনযোগ দেব।’’
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন আফসানা বেগম। তখন এই নিয়োগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, অন্যান্য প্রতিষ্ঠান–সংগঠনের সঙ্গে কর্মসম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে এই নিয়োগ দেওয়া হলো। নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দিয়ে নির্ধারিত হবে। তার মেয়াদ হবে দুই বছর।
পরে ২০২৬ সালের ২০ জানুয়ারি আফসানার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করে এ এইচ এম সাখাওয়াত উল্লাহকে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক পদে নিয়োগ দেয় সরকার।
মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই নিয়োগ বাতিলের অভিযোগ করে তখন আফসানা বেগম সাংবাদিকদের জানান, প্রশিক্ষণের জন্য কর্মকর্তা–কর্মচারীদের নিয়ে কক্সবাজার থাকার সময় তিনি প্রজ্ঞাপনের কথা জানতে পারেন। তিনি বলেন, ‘‘আমাকে কী কারণে বাদ দেওয়া হলো তা জানি না। এটা আমার জন্য আকস্মিক। আমি আমার দায়িত্বকালে সাধ্যমতো কাজ করার চেষ্টা করেছি। যেহেতু সরকার আমার বিষয়ে একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাই এ ব্যাপারে কিছু বলার নেই।’’

সেরা ছন্দে না থাকলেও সময়ের অন্যতম শীর্ষ ব্যাটসম্যান হিসেবেই বিবেচনা করা হয় বাবর আজমকে। পাকিস্তানের এই তারকাকে সামনে পেলে অবশ্য নাহিদ রানা যেন একটু বেশিই তেতে ওঠেন। বিশেষ করে টেস্ট ক্রিকেটে। ব্যাপারটা এমন দাঁড়িয়েছে যে, বাবরকে আউট করতে হলে আক্রমণে আনতে হবে নাহিদকেই। সিলেট টেস্টেও তাই হলো।