নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ২০২৫ সালের আয়-ব্যয়ের নীরিক্ষা প্রতিবেদন জমা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে দলের আয়-ব্যয়ের এই হিসাব জমা দেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
ইসিতে দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে দলটির আয় কমেছে।
জামায়াতে ইসলামীর জমা দেওয়া হিসাবে দেখা যায়, ২০২৫ সালে দলটি আয় করেছে ২৩ কোটি ৬৮ লাখ ২৪ হাজার ১৩৯ টাকা। আর সে বছর ব্যয় করেছে ২৩ কোটি ৯১ লাখ ৮৬ হাজার ৯৩৪ টাকা।
হিসাবে আরও জানানো হয়, জামায়াতের কাছে বর্তমানে আছে ১৫ কোটি ৪৯ লাখ ৪৪ হাজার ৪২৮ টাকা। যার মধ্যে নগদ আছে ৭ কোটি ৫১ লাখ ১৩ হাজার ৬৫ টাকা এবং ব্যাংকে আছে ৭ কোটি ৯৮ লাখ ৩১ হাজার ৩৬৩ টাকা।
আগের বছরে দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, জামায়াতে ইসলামীর ২০২৪ সালে আয় হয়েছিল ২৮ কোটি ৯৭ লাখ ২৯৯ টাকা। আর দলটি ব্যয় দেখিয়েছিল ২৩ কোটি ৭৩ লাখ ৩৮ হাজার ১৭৭ টাকা।
দলের আয় থেকে ব্যয়ের পরিমাণ কেন বেশি তা জানিয় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলায়ের বলেন, ‘‘গত বছর আমরা বেশি কাজ করেছি, তাই ব্যয় বেশি হয়েছে।’’
দলের ব্যয়ের খাত প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘‘আমাদের অফিস ম্যানেজমেন্ট একটা বড় খরচ আছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের মিটিং, সমাবেশ, বৈঠক, নেতাদের সফর, নেতারা বিভিন্ন জায়গায় মিটিং, বড় আকারের জনসভা-এগুলোতে বড় আকারের খরচ হয়।’’
এসময় দলের আয়ের উৎস সম্পর্কে জানতে চাইলে জুবায়ের বলেন, ‘‘আমাদের আয়ের উৎস হচ্ছে, নেতাকর্মীরা নিয়মিত দান-অনুদান, নিয়মিত চাঁদা দেন। দ্বিতীয় হচ্ছে, আমাদের দলের সুধী ও শুভাকাঙ্খীরা আছেন দান করেন। তৃতীয় হচ্ছে, আমাদের বিভিন্ন প্রকাশনা থেকে আয় হয়।’’