চরচা ডেস্ক

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি) এবং এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান এমটিবি ক্যাপিটাল লিমিটেড ও এমটিবি সিকিউরিটিজ পিএলসি ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এইসব জানানো হয়।
শিল্পোদ্যোক্তা, শিল্পপতি ও রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে মঞ্জুর এলাহী দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও আর্থিক খাতে অবদান রেখে গেছেন। ১৯৭৬ সালে তিনি এপেক্স ট্যানারি প্রতিষ্ঠা করেন। পরে তিনি এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড এবং গ্রে অ্যাডভারটাইজিং (বাংলাদেশ) লিমিটেড প্রতিষ্ঠা করেন।
১৯৯৯ সালে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি প্রতিষ্ঠার সময় তিনি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ব্যাংকিং খাতে নেতৃত্ব দিয়ে কর্পোরেট অঙ্গনে ভূমিকা রাখেন।
নেতৃত্ব ও পেশাদারিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে দুইবার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ব্যবসার পাশাপাশি শিক্ষা ও মানবাধিকার খাতেও তিনি অবদান রাখেন। ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সমাজসেবামূলক নানা উদ্যোগে তিনি যুক্ত ছিলেন।
জীবদ্দশায় সততা, পেশাদারিত্ব ও সমাজসেবায় অবদানের জন্য তিনি বহু স্বীকৃতি লাভ করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ২০২৩ সালে ইউকেবিসিসিআই প্রদত্ত ‘লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’।

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি) এবং এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান এমটিবি ক্যাপিটাল লিমিটেড ও এমটিবি সিকিউরিটিজ পিএলসি ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এইসব জানানো হয়।
শিল্পোদ্যোক্তা, শিল্পপতি ও রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে মঞ্জুর এলাহী দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও আর্থিক খাতে অবদান রেখে গেছেন। ১৯৭৬ সালে তিনি এপেক্স ট্যানারি প্রতিষ্ঠা করেন। পরে তিনি এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড এবং গ্রে অ্যাডভারটাইজিং (বাংলাদেশ) লিমিটেড প্রতিষ্ঠা করেন।
১৯৯৯ সালে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি প্রতিষ্ঠার সময় তিনি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ব্যাংকিং খাতে নেতৃত্ব দিয়ে কর্পোরেট অঙ্গনে ভূমিকা রাখেন।
নেতৃত্ব ও পেশাদারিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে দুইবার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ব্যবসার পাশাপাশি শিক্ষা ও মানবাধিকার খাতেও তিনি অবদান রাখেন। ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সমাজসেবামূলক নানা উদ্যোগে তিনি যুক্ত ছিলেন।
জীবদ্দশায় সততা, পেশাদারিত্ব ও সমাজসেবায় অবদানের জন্য তিনি বহু স্বীকৃতি লাভ করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ২০২৩ সালে ইউকেবিসিসিআই প্রদত্ত ‘লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’।

আলোচনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাজিদা ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদা ফিজ্জা কবির, ঢাকা ব্যাংকের চিফ লিগ্যাল অফিসার ব্যারিস্টার ফারজানা আহমেদ এবং বাংলাদেশ নারী জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান নারী জাতীয় ফুটসাল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন।