চরচা ডেস্ক

দেশের কৃষি খাত একদিকে খাদ্য নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান ও গ্রামীণ অর্থনীতির প্রধান শক্তি, অন্যদিকে জিডিপিতে মাত্র ১২ শতাংশ অবদান এবং ক্রমহ্রাসমান আবাদি জমি, উর্বরতা হ্রাস ও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির মতো সংকট আজ বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থায় কৃষিতে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে পিকেএসএফ ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) যৌথভাবে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে।
এক বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার পিকেএসএফ ভবন-১–এ অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন পিকেএসএফের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান। প্রধান অতিথি ছিলেন কানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটির ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এ এন এম মাহবুব-উল আলম এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. আবদুছ ছালাম। স্বাগত বক্তব্য দেন পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের।
মাহবুব-উল আলম বলেন, দেশের অনেক সক্ষম প্রতিষ্ঠান থাকা সত্ত্বেও সমন্বয়হীনতার কারণে তাদের সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানো যায় না। তিনি বলেন, যে প্রতিষ্ঠান যে কাজে পারদর্শী, তাকে সেই জায়গায় যুক্ত করতে হবে।
বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. আবদুছ ছালাম বলেন, উন্নত কৃষিচর্চার চারটি লক্ষ্য–উচ্চ ফলন, পুষ্টিমান বৃদ্ধি, পরিবেশ সুরক্ষা ও মানুষের উত্তম জীবন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, পিকেএসএফের সহযোগিতা পেলে গবেষণা থেকে মাঠপর্যায়ে প্রযুক্তি বিস্তার আরও দ্রুত ও কার্যকর হবে।
মো. আবদুছ ছালাম বলেন, ‘ট্রান্সফরমিং বাংলাদেশ এগ্রিকালচার: আউটলুক ২০৫০’ বাস্তবায়নে পিকেএসএফ একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক শক্তি হতে পারে।
সভাপতি জাকির আহমেদ খান বলেন, কৃষিতে কাঠামোগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ছাড়া অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি সম্ভব নয়। পিকেএসএফ ও বিএআরসি যৌথভাবে শুধু চলমান কার্যক্রম নয়, নতুন উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণ করবে, যা কৃষক ও কৃষি অর্থনীতিতে বাস্তব ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
ফজলুল কাদের জানান, কৃষি খাতে মোট বিতরণকৃত ঋণের প্রায় অর্ধেকই পিকেএসএফ ও এর সহযোগী সংস্থাগুলো সরবরাহ করে। কৃষিপণ্যের বৈচিত্র্য, মূল্য সংযোজন, বাজার সম্প্রসারণ এবং ইকোলজিক্যাল ফার্মিং–এর ওপর বিশেষ জোর দিয়ে কৃষিকে আকর্ষণীয়, টেকসই ও লাভজনক পেশায় রূপান্তরের কাজ চলছে।
আলোচনা সভায় বিআরসির সাবেক প্রধান ওয়ায়েস কবীর, ওয়েভ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মহসিন আলীসহ অনেকে বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান শেষে কৃষি উন্নয়নে পিকেএসএফের উদ্যোগ নিয়ে একটি উপস্থাপনা ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

দেশের কৃষি খাত একদিকে খাদ্য নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান ও গ্রামীণ অর্থনীতির প্রধান শক্তি, অন্যদিকে জিডিপিতে মাত্র ১২ শতাংশ অবদান এবং ক্রমহ্রাসমান আবাদি জমি, উর্বরতা হ্রাস ও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির মতো সংকট আজ বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থায় কৃষিতে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে পিকেএসএফ ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) যৌথভাবে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে।
এক বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার পিকেএসএফ ভবন-১–এ অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন পিকেএসএফের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান। প্রধান অতিথি ছিলেন কানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটির ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এ এন এম মাহবুব-উল আলম এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. আবদুছ ছালাম। স্বাগত বক্তব্য দেন পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের।
মাহবুব-উল আলম বলেন, দেশের অনেক সক্ষম প্রতিষ্ঠান থাকা সত্ত্বেও সমন্বয়হীনতার কারণে তাদের সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানো যায় না। তিনি বলেন, যে প্রতিষ্ঠান যে কাজে পারদর্শী, তাকে সেই জায়গায় যুক্ত করতে হবে।
বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. আবদুছ ছালাম বলেন, উন্নত কৃষিচর্চার চারটি লক্ষ্য–উচ্চ ফলন, পুষ্টিমান বৃদ্ধি, পরিবেশ সুরক্ষা ও মানুষের উত্তম জীবন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, পিকেএসএফের সহযোগিতা পেলে গবেষণা থেকে মাঠপর্যায়ে প্রযুক্তি বিস্তার আরও দ্রুত ও কার্যকর হবে।
মো. আবদুছ ছালাম বলেন, ‘ট্রান্সফরমিং বাংলাদেশ এগ্রিকালচার: আউটলুক ২০৫০’ বাস্তবায়নে পিকেএসএফ একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক শক্তি হতে পারে।
সভাপতি জাকির আহমেদ খান বলেন, কৃষিতে কাঠামোগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ছাড়া অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি সম্ভব নয়। পিকেএসএফ ও বিএআরসি যৌথভাবে শুধু চলমান কার্যক্রম নয়, নতুন উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণ করবে, যা কৃষক ও কৃষি অর্থনীতিতে বাস্তব ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
ফজলুল কাদের জানান, কৃষি খাতে মোট বিতরণকৃত ঋণের প্রায় অর্ধেকই পিকেএসএফ ও এর সহযোগী সংস্থাগুলো সরবরাহ করে। কৃষিপণ্যের বৈচিত্র্য, মূল্য সংযোজন, বাজার সম্প্রসারণ এবং ইকোলজিক্যাল ফার্মিং–এর ওপর বিশেষ জোর দিয়ে কৃষিকে আকর্ষণীয়, টেকসই ও লাভজনক পেশায় রূপান্তরের কাজ চলছে।
আলোচনা সভায় বিআরসির সাবেক প্রধান ওয়ায়েস কবীর, ওয়েভ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মহসিন আলীসহ অনেকে বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান শেষে কৃষি উন্নয়নে পিকেএসএফের উদ্যোগ নিয়ে একটি উপস্থাপনা ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।