চরচা ডেস্ক

বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ১৯ হাজার মানুষ পানিতে ডুবে মারা যান। এর মধ্যে প্রায় ১৪ হাজার ৫০০ জনই ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৪০টি শিশুর মৃত্যু হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধ দিবসে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ডুবে মৃত্যু কমাতে সাতটি প্রমাণভিত্তিক কৌশলসম্বলিত প্রটেক্ট কারিগরি প্যাকেজ প্রকাশ করেছে। এতে শিশুদের নিরাপদ তত্ত্বাবধান, সাঁতার ও পানিতে নিরাপত্তা শিক্ষা, ঝুঁকিপূর্ণ জলাশয়ে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, নিরাপদ উদ্ধার ও সিপিআর প্রশিক্ষণ এবং জাতীয় পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে এক থেকে চার বছর বয়সী শিশুদের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ পানিতে ডুবে যাওয়া। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ২০২৫ সালে ২০৩০ সালের মধ্যে ডুবে মৃত্যুর হার ৫০ শতাংশ কমানোর লক্ষ্যে জাতীয় কর্মকৌশল ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
এদিকে সমাজভিত্তিক সমন্বিত শিশুযত্ন কেন্দ্রের মাধ্যমে শিশুর প্রারম্ভিক বিকাশ, সুরক্ষা ও সাঁতার সুবিধা প্রদান (আইসিবিসি) প্রকল্পটি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে শেষ হয়ে পরবর্তী পর্যায়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। ফলে পাঁচ বছরের কম বয়সী প্রায় দুই লাখ শিশু কমিউনিটিভিত্তিক শিশুযত্নসেবা এবং প্রায় তিন লাখ ৬০ হাজার স্কুলগামী শিশু সাঁতার ও পানিতে নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সফল উদ্যোগগুলোকে স্থায়ী সরকারি ব্যবস্থার অংশ করে দ্রুত প্রকল্পের কার্যক্রম চালু করা প্রয়োজন।

বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ১৯ হাজার মানুষ পানিতে ডুবে মারা যান। এর মধ্যে প্রায় ১৪ হাজার ৫০০ জনই ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৪০টি শিশুর মৃত্যু হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধ দিবসে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ডুবে মৃত্যু কমাতে সাতটি প্রমাণভিত্তিক কৌশলসম্বলিত প্রটেক্ট কারিগরি প্যাকেজ প্রকাশ করেছে। এতে শিশুদের নিরাপদ তত্ত্বাবধান, সাঁতার ও পানিতে নিরাপত্তা শিক্ষা, ঝুঁকিপূর্ণ জলাশয়ে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, নিরাপদ উদ্ধার ও সিপিআর প্রশিক্ষণ এবং জাতীয় পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে এক থেকে চার বছর বয়সী শিশুদের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ পানিতে ডুবে যাওয়া। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ২০২৫ সালে ২০৩০ সালের মধ্যে ডুবে মৃত্যুর হার ৫০ শতাংশ কমানোর লক্ষ্যে জাতীয় কর্মকৌশল ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
এদিকে সমাজভিত্তিক সমন্বিত শিশুযত্ন কেন্দ্রের মাধ্যমে শিশুর প্রারম্ভিক বিকাশ, সুরক্ষা ও সাঁতার সুবিধা প্রদান (আইসিবিসি) প্রকল্পটি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে শেষ হয়ে পরবর্তী পর্যায়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। ফলে পাঁচ বছরের কম বয়সী প্রায় দুই লাখ শিশু কমিউনিটিভিত্তিক শিশুযত্নসেবা এবং প্রায় তিন লাখ ৬০ হাজার স্কুলগামী শিশু সাঁতার ও পানিতে নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সফল উদ্যোগগুলোকে স্থায়ী সরকারি ব্যবস্থার অংশ করে দ্রুত প্রকল্পের কার্যক্রম চালু করা প্রয়োজন।