চরচা ডেস্ক

থাই ইউনিয়ন ফিডমিল পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির সঙ্গে (টিএফএম) একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে বাংলাদেশ শ্রিম্প অ্যান্ড ফিশ ফাউন্ডেশন। গত ৩ ফেব্রুয়ারি ব্যাংককের বাংলাদেশ দূতাবাসে স্মারকটি সই করা হয়।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ব্যাংককের বাংলাদেশ দূতাবাস। এর লক্ষ্য বাংলাদেশে, বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে, টেকসই চাষে প্রযুক্তি হস্তান্তর, গবেষণা ও লক্ষ্যভিত্তিক উন্নয়ন উদ্যোগে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা জোরদার করা।
বাংলাদেশ শ্রিম্প অ্যান্ড ফিশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ মাহমুদুল হক এবং টিএফএমের পরিচালক (সিইও’র প্রতিনিধি) মিসেস হাতাই নানতাতং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এমওইউতে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে খাতসংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা, দূতাবাসের কর্মকর্তারা এবং অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন চেরডসাক ভিরাপাত, নাকা ও সিরডাপের সাবেক মহাপরিচালক। এছাড়া ব্যাংককে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলর (অর্থনৈতিক) ও বিকল্প স্থায়ী প্রতিনিধি মো. সারোয়ার আহমেদ সালেহীন এবং কাউন্সেলর ও চ্যান্সারি প্রধান নায়েম রুবাইয়েতও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
২০২১ সালে শুরু হওয়া অংশীদারত্ব এবং ২০২৩–২০২৪ সালের সফল পাইলট প্রকল্পের ধারাবাহিকতায় এ সমঝোতা স্মারক সই করা হলো। এর আওতায় এশিয়ান সিবাস (লেটস ক্যালকারিফার), ব্ল্যাক টাইগার চিংড়ি (পেনিয়াস মনোডন), হোয়াইটলেগ চিংড়ি (লিটোপেনিয়াস ভ্যাননামেই) এবং মনো-সেক্স গলদা চিংড়িসহ উচ্চমূল্যের প্রজাতির টেকসই চাষাবাদ উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রচলিত চিংড়ি চাষের পাশাপাশি আধুনিক, ফিড-ভিত্তিক সিবাস চাষকে উপকূলীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও রপ্তানি বহুমুখীকরণের সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। থাইল্যান্ডে সিবাসের বাণিজ্যিক উৎপাদনে পুনরাবৃত্তিযোগ্য উৎপাদন প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। এমওইউ সই করার কারণে বাংলাদেশের জন্য সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সুযোগ সৃষ্টি করবে।
সেই সঙ্গে উন্নত হ্যাচারি প্রযুক্তি, মানসম্মত প্রস্তুতকৃত খাদ্য ব্যবহার, বায়োসিকিউরিটি এবং পরিবেশবান্ধব চর্চার মাধ্যমে উচ্চ ফলন, ভালো অর্থনৈতিক মুনাফা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাস ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
নতুন এমওইউর আওতায় বিএসএফএফ ও টিএফএম যৌথভাবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন মৎস্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি খাতের অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করবে। সিবাসের উপযোগী জেনেটিক জাত উন্নয়ন, গবেষণা কার্যক্রম, ব্রুডস্টক উন্নয়ন, পোনা উৎপাদন, দক্ষ জনবল প্রশিক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপণন—এসব ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা গড়ে তোলা হবে।
সহযোগিতার প্রথম বছরে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি ও বিএসএফএফ যৌথ গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করবে। পাশাপাশি টেকনাফ ও খুলনায় দুটি স্থানে প্রদর্শনীমূলক উৎপাদন পাইলট বাস্তবায়ন করা হবে। ব্রিডিং ও হ্যাচারি উন্নয়ন কার্যক্রম তিন বছরের পর্যায়ে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। উৎপাদন ও বিপণন সম্প্রসারণে মূল্য শৃঙ্খল উন্নয়ন, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার সংযোগ স্থাপনসহ সুপরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

থাই ইউনিয়ন ফিডমিল পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির সঙ্গে (টিএফএম) একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে বাংলাদেশ শ্রিম্প অ্যান্ড ফিশ ফাউন্ডেশন। গত ৩ ফেব্রুয়ারি ব্যাংককের বাংলাদেশ দূতাবাসে স্মারকটি সই করা হয়।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ব্যাংককের বাংলাদেশ দূতাবাস। এর লক্ষ্য বাংলাদেশে, বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে, টেকসই চাষে প্রযুক্তি হস্তান্তর, গবেষণা ও লক্ষ্যভিত্তিক উন্নয়ন উদ্যোগে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা জোরদার করা।
বাংলাদেশ শ্রিম্প অ্যান্ড ফিশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ মাহমুদুল হক এবং টিএফএমের পরিচালক (সিইও’র প্রতিনিধি) মিসেস হাতাই নানতাতং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এমওইউতে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে খাতসংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা, দূতাবাসের কর্মকর্তারা এবং অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন চেরডসাক ভিরাপাত, নাকা ও সিরডাপের সাবেক মহাপরিচালক। এছাড়া ব্যাংককে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলর (অর্থনৈতিক) ও বিকল্প স্থায়ী প্রতিনিধি মো. সারোয়ার আহমেদ সালেহীন এবং কাউন্সেলর ও চ্যান্সারি প্রধান নায়েম রুবাইয়েতও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
২০২১ সালে শুরু হওয়া অংশীদারত্ব এবং ২০২৩–২০২৪ সালের সফল পাইলট প্রকল্পের ধারাবাহিকতায় এ সমঝোতা স্মারক সই করা হলো। এর আওতায় এশিয়ান সিবাস (লেটস ক্যালকারিফার), ব্ল্যাক টাইগার চিংড়ি (পেনিয়াস মনোডন), হোয়াইটলেগ চিংড়ি (লিটোপেনিয়াস ভ্যাননামেই) এবং মনো-সেক্স গলদা চিংড়িসহ উচ্চমূল্যের প্রজাতির টেকসই চাষাবাদ উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রচলিত চিংড়ি চাষের পাশাপাশি আধুনিক, ফিড-ভিত্তিক সিবাস চাষকে উপকূলীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও রপ্তানি বহুমুখীকরণের সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। থাইল্যান্ডে সিবাসের বাণিজ্যিক উৎপাদনে পুনরাবৃত্তিযোগ্য উৎপাদন প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। এমওইউ সই করার কারণে বাংলাদেশের জন্য সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সুযোগ সৃষ্টি করবে।
সেই সঙ্গে উন্নত হ্যাচারি প্রযুক্তি, মানসম্মত প্রস্তুতকৃত খাদ্য ব্যবহার, বায়োসিকিউরিটি এবং পরিবেশবান্ধব চর্চার মাধ্যমে উচ্চ ফলন, ভালো অর্থনৈতিক মুনাফা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাস ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
নতুন এমওইউর আওতায় বিএসএফএফ ও টিএফএম যৌথভাবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন মৎস্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি খাতের অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করবে। সিবাসের উপযোগী জেনেটিক জাত উন্নয়ন, গবেষণা কার্যক্রম, ব্রুডস্টক উন্নয়ন, পোনা উৎপাদন, দক্ষ জনবল প্রশিক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপণন—এসব ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা গড়ে তোলা হবে।
সহযোগিতার প্রথম বছরে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি ও বিএসএফএফ যৌথ গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করবে। পাশাপাশি টেকনাফ ও খুলনায় দুটি স্থানে প্রদর্শনীমূলক উৎপাদন পাইলট বাস্তবায়ন করা হবে। ব্রিডিং ও হ্যাচারি উন্নয়ন কার্যক্রম তিন বছরের পর্যায়ে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। উৎপাদন ও বিপণন সম্প্রসারণে মূল্য শৃঙ্খল উন্নয়ন, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার সংযোগ স্থাপনসহ সুপরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।