Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

তারেক রহমানের ভারত সফর: দুই দেশের সম্পর্ক কোন দিকে?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯: ০২
তারেক রহমানের ভারত সফর: দুই দেশের সম্পর্ক কোন দিকে?
‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

আগামী সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে বিমসটেক সভাপতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সঙ্গে তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্যও আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তবে আমন্ত্রণ পেলেও প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর এখনো নিশ্চিত নয়। সর্বশেষ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে দুই দেশ কাজ করছে। আলোচনার মাধ্যমে সরকারপ্রধানের সফরের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হবে।

এর আগে এক ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম বলেছিলেন, তারেক রহমানের একটি দ্বিপক্ষীয় ভারত সফরের সম্ভাবনা নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশ ও ভারতের কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগ চলছে। তবে গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত শেখ হাসিনার প্রকাশ্য সংবাদ সম্মেলনের কারণে এ প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হয়েছে বলে জানান তিনি।

মুখপাত্র বলেন, “আমরা এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছি। আমরা মনে করি, এই সফরের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন।” এ লক্ষ্যে শেখ হাসিনা ও অন্যান্য পলাতক অপরাধীকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণের অনুরোধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এরপর গত মঙ্গলবার ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ভারতীয় মিশন ঢাকাকে ‘অতীত ভুলে যেতে’ বলছে না। তবে অতীতের সমস্যাগুলো সমাধান করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের যেকোনো সমস্যা শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক ও পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব বলে আশা প্রকাশ করেছেন দীনেশ ত্রিবেদী।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, তারেক রহমানের সফর ঘিরে এমন পরিস্থিতির কারণে প্রতিবেশী এই দুই দেশের টানাপোড়েনের বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের পর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে উত্তেজনা শুরু হয়। ওই আন্দোলনে আওয়ামী সরকারের পতন ঘটে এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন।

জাতীয় স্বার্থে আপস নয়, উপযুক্ত সময়ে ভারত সফর: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীhumayun kabir

দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক অধ্যাপক সঞ্জয় ভরদ্বাজ আল জাজিরাকে বলেন, তারেক রহমান তার প্রথম ভারত সফর পিছিয়ে দিয়ে মূলত দেশের মানুষের মন জয়ের চেষ্টা করছেন।

সঞ্জয় ভরদ্বাজ বলেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নেওয়া হয়েছে। তবে হাসিনার সরকারও বিরোধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি। তারেক রহমানও ১৭ বছরের বেশি সময় লন্ডনে নির্বাসনে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে কয়েকটি ফৌজদারি মামলা হয়েছিল। অর্থপাচার ও শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্রের একটি মামলায় তার অনুপস্থিতিতেই তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল।

এই অধ্যাপক আরও বলেন, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও উন্নয়নমূলক সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী। কিন্তু তারেক রহমান বাংলাদেশের উন্নয়নের থেকে রাজনীতিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে মত তার।

সঞ্জয় ভরদ্বাজ বলেন, “শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি দুই দেশের সম্পর্কের বড় বিরোধের কারণ। তবে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখতে হলে ভারত ও বাংলাদেশকে এই বিষয়টি পেছনে রেখে এগোতে হবে।”

ভারতের ওপি জিন্দাল গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক অধ্যাপক শ্রীরাধা দত্ত আল জাজিরাকে বলেন, দুই দেশের মধ্যে আলোচনা করতেই হবে, কারণ এর কোনো বিকল্প নেই। তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশ হওয়ায় ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক পুরোপুরি শেষ করে দেওয়ার সুযোগ নেই। শুধু সময় পার হলেই দুই দেশের সম্পর্ক ভালো হবে না। তার প্রশ্ন–যখন দুই দেশের মধ্যে কোনো আলোচনা ও যোগাযোগ নেই, তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায় কী?”

প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে বিবৃতি প্রত্যাহার ভারতেরindia Bangladesh

শ্রীরাধা বলেন, শুরুতে দুই দেশের মধ্যে ভালো সম্পর্কের পরিবেশ তৈরি হলেও তাদের জাতীয়তাবাদী বক্তব্যের কারণে সেই অগ্রগতিতে ভাটা পড়ে। সম্পর্ক উন্নয়নের অংশ হিসেবে গত বছর তারেক রহমানের মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল ঢাকায় গিয়েছিল।

তার ভাষ্য, শেখ হাসিনার সময় বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল, নতুন বাংলাদেশ সরকার হয়তো একইভাবে ভারতকে দেখবে না। এ বাস্তবতা ভারতকে মেনে নিতে হবে বলে মনে করেন তিনি।

তবে শ্রীরাধা বলেন, “এতে কিছু যায় আসে না। ভারত ও বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশ। নিজেদের প্রয়োজন ও স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়াই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”

দুই দেশের কৌশলগত যোগাযোগের ফলে শেষ পর্যন্ত তারেক রহমানের রহমান হবে কিনা তা হয়তো খুব শিগগিরই জানা যাবে। সেই সঙ্গে এই সফর ঘিরে প্রতিবেশী দেশ দুটির দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক কোন দিকে মোড় নেবে সে দিকেই নজর এখন বিভিন্ন মহলের।

বিষয়: প্রধানমন্ত্রীনরেন্দ্র মোদিভারততারেক রহমানবৈদেশিক সম্পর্কবাংলাদেশ
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    চলতি মাসে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যে লং মার্চ করেছে তাকে সরকারের জন্য ‘ওয়েক আপ কল’ বলে উল্লেখ করছেন জোটটির নেতারা। প্রায় ১ হাজার গাড়ি নিয়ে এই লং মার্চ করে জোটের পক্ষ থেকে সরকারকে ৬ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। জোট নেতারা ওই ৬ দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট

  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড