Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

ব্যাংকঋণ: রেকর্ড আ.লীগের, ভাঙে অন্তর্বর্তী সরকার, বিএনপি কোন পথে?

রেজাউল করিম

রেজাউল করিম

প্রকাশ : ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৮: ২৯
ব্যাংকঋণ: রেকর্ড আ.লীগের, ভাঙে অন্তর্বর্তী সরকার, বিএনপি কোন পথে?
গত এক দশকে বাজেট ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার প্রবণতা ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। ছবি: সংগৃহীত

গত এক দশকে বাজেট ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার প্রবণতা ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। এই সময়ে দুটি সরকার ক্ষমতায় ছিল এবং বর্তমানে দেশের হাল বিএনপির হাতে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

আওয়ামী লীগ সরকার ব্যাংকঋণে রেকর্ড গড়েছিল। আর গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের দেখানো পথেই হাঁটে ইউনূস সরকার। অবশ্য শুধু হাঁটা নয়; বরং আওয়ামী লীগের রেকর্ড ভাঙে এই সরকার।

এদিকে, চলতি অর্থবছরের শুরুর ১৩ দিনের পরিসংখ্যান বলছে, ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ঋণ নেওয়ার প্রবণতা বিএনপি সরকারেরও রয়েছে। অর্থবছর শেষ হলে বোঝা যাবে, এই সরকারের অবস্থান আগের দুই সরকারের চেয়ে এগিয়ে না পিছিয়ে।

অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাজেট ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর সরকারের নির্ভরতা দীর্ঘদিনের। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ব্যাংকঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৮ হাজার ৯৩৮ কোটি টাকা। বছর শেষে সরকার ঋণ নেয় ৩১ হাজার ৬৭৫ কোটি টাকা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

২০১৬-১৭ অর্থবছরেও ব্যাংকঋণের লক্ষ্যমাত্রা আগের অর্থবছরের মতো একই রাখা হয়। তবে বছর শেষে ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় মাত্র ১৮ হাজার ১০৩ কোটি টাকা। এই অর্থবছরে সরকারের সঞ্চয়পত্র বিক্রি বেড়ে গিয়েছিল। ফলে বাজেট ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক থেকে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম ঋণ নিতে হয়।

সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগকারী ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা বরখাস্তislami bank

২০১৭-১৮ অর্থবছরে সরকার ব্যাংকঋণের লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে ২৮ হাজার ২০৩ কোটি টাকা করে। কিন্তু প্রকৃত ব্যাংকঋণ আরও কমে দাঁড়ায় মাত্র ১১ হাজার ৭৩১ কোটি টাকায়। সঞ্চয়পত্রে সুদের হার বাড়ায় বিনিয়োগ সেখানে চলে আসে। সঞ্চয়পত্র থেকে বড় অর্থ পাওয়ায় ব্যাংকঋণের প্রয়োজনীয়তা অনেকটা কমে আসে। ফলে পরপর দুই অর্থবছর ব্যাংকের ওপর সরকারের নির্ভরতা কিছুটা কমে।

এরপর ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ব্যাংকঋণের লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ৪২ হাজার ২৯ কোটি টাকা করা হয়। তবে বছর শেষে মোট ব্যাংকঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩০ হাজার ৮৯৫ কোটি টাকা। ওই বছর রাজস্ব আদায়ে গতি কম ছিল। কিন্তু বৈদেশিক ঋণের ছাড় বৃদ্ধি এবং সঞ্চয়পত্র বিক্রি ভালো থাকায় ব্যাংকঋণের চাপ কম থাকে।

২০১৯-২০ অর্থবছরে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা। তবে বছর শেষে সরকার রেকর্ড ৭২ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা ঋণ নেয়। করোনা মহামারির কারণে অর্থবছরের শেষভাগে রাজস্ব আদায় থমকে যায়।

এরপর ২০২০-২১ অর্থবছরে অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলাতে ব্যাংকঋণের লক্ষ্যমাত্রা ৮৪ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা করা হয়। তবে চূড়ান্ত হিসাবে বছর শেষে ব্যাংকঋণ দাঁড়ায় ২৬ হাজার ৭৮ কোটি টাকায়। বৈশ্বিক সহযোগী সংস্থাগুলো থেকে প্রচুর বাজেট সহায়তা পাওয়া যায় সে সময়। পাশাপাশি সঞ্চয়পত্র বিক্রি বাড়ায় ব্যাংকঋণের ওপর নির্ভরতা ব্যাপক কমে আসে।

বাংলাদেশ ব্যাংক। ছবি: বাসস
বাংলাদেশ ব্যাংক। ছবি: বাসস

২০২১-২২ অর্থবছরে ব্যাংকঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৭৬ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা। বছর শেষে সরকার ঋণ নেয় ৭২ হাজার ৭৪৯ কোটি টাকা। ব্যবসা-বাণিজ্য ফের চালু হওয়ায় রাজস্ব আদায় কিছুটা বেড়েছিল। সরকারের ব্যয় সংকোচন নীতির কারণে ব্যাংকঋণ লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি সীমার মধ্যেই রাখা সম্ভব হয় ওই অর্থবছরে।

২০২২-২৩ অর্থবছরে ব্যাংকঋণের লক্ষ্যমাত্রা এক লাফে ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা করা হয়। বছর শেষে সব রেকর্ড ভেঙে প্রকৃত ঋণ দাঁড়ায় ১ লাখ ২৪ হাজার ১২২ কোটি টাকায়। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, ডলার সংকট ও বিভিন্ন নিয়মের কড়াকড়িতে সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে ধস নামে।

ব্যাংক রেজুলেশন আইন: ১৮(ক) ধারা কেন বাতিল হচ্ছে, কী প্রভাব পড়বে?bangladesh bank

ফলে বাধ্য হয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকা ছাপিয়ে ঋণ নিতে হয়। এটি ছিল দেশের ইতিহাসে ব্যাংক খাত থেকে সরকারের সবচেয়ে বড় ঋণ নেওয়ার নজির।

এরপর ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সরকার ব্যাংকঋণের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা স্থির করে ১ লাখ ৩২ হাজার ৩৯৫ কোটি টাকা। কিন্তু বছর শেষে ঋণ গ্রহণের চূড়ান্ত পরিমাণ দাঁড়ায় ৯৪ হাজার ২৮২ কোটি টাকা। মূল্যস্ফীতি সামলাতে বাংলাদেশ ব্যাংক সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি গ্রহণ করে। একই সাথে উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ছাঁটাই ও ব্যাংকের তারল্য সংকটের কারণে সরকার ব্যাংকঋণ নেওয়ায় সংযমী হয়। ফলে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ৩৮ হাজার কোটি টাকা কম ঋণ নেয় সরকার।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের মূল বাজেটে ব্যাংক খাত থেকে সরকারের ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। পরে সংশোধিত বাজেটে কমিয়ে ৯৯ হাজার কোটি টাকায় নামানো হয়। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী, এই অর্থবছরে ব্যাংক থেকে সরকারের নেওয়া ঋণের পরিমাণ ছিল ৭৬ হাজার ১২৫ কোটি টাকা।

২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেটে ব্যাংকিং খাত থেকে সরকারের ঋণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে তা বাড়িয়ে ১ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা করা হয়। তবে রাজস্ব ঘাটতি, সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি এবং সঞ্চয়পত্র থেকে টাকা পাওয়ার পরিমাণ কমে যাওয়ার কারণে অর্থবছর শেষে সরকার ব্যাংক খাত থেকে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ নেয়, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩০ হাজার ৫৭১ কোটি টাকা বা প্রায় ২১ শতাংশ বেশি।

এটিই ছিল বাংলাদেশ সরকারের নেওয়া সবচেয়ে বেশি ব্যাংকঋণ। আর এই সময়ের প্রথম সাড়ে ৭ মাস (১ জুলাই ২০২৫ থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এরপর বাকি সময় দায়িত্ব নেয় বিএনপি। কিন্তু সেই অর্থবছরের বাজেট যেহেতু ইউনূস সরকারই ঘোষণা করেছিল, তাই রেকর্ডের হিসাব করলে অন্তবর্তী সরকারের সময়েই সবচেয়ে বেশি ব্যাংকঋণ নেওয়া হয়।

চলতি বছর বাজেট ঘাটতি পূরণে বিএনপি সরকারের ব্যাংকঋণের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা। আর প্রথম ১৩ দিনে ব্যাংক থেকে প্রায় ৯ হাজার ২০৯ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। শুরুতেই এত ঋণ প্রমাণ করে, বেশি ব্যাংক ঋণ নেওয়ার প্রবণতা আছে এই সরকারেরও।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, অর্থবছরের শুরুতে সরকারের স্বল্পমেয়াদি ঋণ নেওয়া অস্বাভাবিক নয়। তবে রাজস্ব আহরণে ঘাটতি দীর্ঘস্থায়ী হলে ব্যাংকঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়তে পারে সরকারের।

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে জরুরি প্রয়োজনে মিলবে সুদমুক্ত ৫ হাজার টাকা ঋণbb-bangladesh-bank

কোন সরকারের সময়ে বেশি

বাংলাদেশের অর্থনীতি ও রাজস্ব পরিচালনায় বিগত এক দশকে একাধিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও সরকারের মেয়াদ দেখা গেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ মেয়াদ থেকে শুরু করে অন্তর্বর্তীকালীন মুহাম্মদ ইউনূস সরকার এবং পরবর্তী সময়ে বিএনপি সরকারের সময় পর্যন্ত চলছে।

এই সময়ে বাজেট ঘাটতি মেটাতে ব্যাংকের ওপর নির্ভরতার ভিন্ন ভিন্ন রূপ দেখা যায়। মূলত কয়েকটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে এই ব্যাংকঋণ কম বেশি হয়েছে। এর মধ্যে ছিল রাজস্ব আদায়ের গতি, বৈদেশিক সহায়তার প্রবাহ এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার দক্ষতা।

আওয়ামী লীগ সরকারের টানা একাধিক মেয়াদে ব্যাংকঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে দুটি বিষয় লক্ষ্য করা যায়। প্রথমভাগে, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সঞ্চয়পত্রের বিক্রি বেশি ছিল। তাই সে সময় ব্যাংকঋণ নেমেছিল মাত্র ১১ হাজার ৭৩১ কোটি টাকায়। তবে ২০১৯-২০ অর্থবছরে মহামারীর প্রভাবে তা লাফিয়ে ৭২ হাজার ২৪৬ কোটি টাকায় দাঁড়ায়।

সবচেয়ে অনিয়ন্ত্রিত ঋণ নেওয়ার চিত্র দেখা যায় আওয়ামী লীগের শেষ মেয়াদে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র বিক্রি কমে যায়। ফলে সরকারের ব্যাংকঋণ ইতিহাসের সব রেকর্ড ভেঙে ১ লাখ ২৪ হাজার ১২২ কোটি টাকায় পৌঁছায়। এই পরিমাণ লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ১৭ হাজার কোটি টাকা বেশি ছিল।

এমনকি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি মেটাতে সরকার ১ লাখ ৩২ হাজার ৩৯৫ কোটি টাকার বিশাল ব্যাংকঋণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল। এটি ব্যাংক খাতের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করে।

শুরুতেই এত ডিজিটাল ব্যাংক কি সত্যিই প্রয়োজন? অন্য দেশগুলোর অভিজ্ঞতা কী?digital-banking-2

শেখ হাসিনার সরকারের বিদায়ের পর দায়িত্ব নেন মুহাম্মদ ইউনূস। তার নেতৃত্বাধীন সরকার মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও ব্যাংক খাতের তারল্য সংকট সামাল দেওয়াকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়। পূর্ববর্তী বছরের প্রায় ৯৪ হাজার ২৮২ কোটি টাকার ব্যাংকঋণের ভার ছিল। সেই ভার থেকে বেরিয়ে আসতে ব্যয় সংকোচন নীতি গ্রহণ করে। তবু ব্যাংকঋণ আগের সব রেকর্ড ভাঙে।

বর্তমান বিএনপি সরকারের আমলে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। কিন্তু অর্থবছর যেহেতু মাত্রই শুরু হলো তাই এখনো বলার সময় আসেনি যে, এই সরকারের ঋণ নেওয়ার পরিমাণ কোথায় গিয়ে ঠেকবে!

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও অর্থনীতিবিদ এম এম আকাশ চরচাকে বলেন, “সম্প্রতি বেসরকারি খাতের ঋণের গ্রোথ রেট আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। এর কারণ হতে পারে, ব্যক্তি খাত ঋণ নিয়ে শিল্প করতে আগ্রহী নয়। আরেকটি কারণ হতে পারে, ব্যাংকগুলো ব্যক্তি খাতে ঋণ না দিয়ে নিরাপদ মনে করে সরকারকে ঋণ দিতে বেশি আগ্রহী। অর্থনীতির ভাষায় এটা বলে ‘ক্রাউডিং আউট ইফেক্ট’। এটা অর্থনীতির জন্য মারাত্মক এক সিচুয়েশন।”

বিষয়: বিএনপিসরকারব্যাংকআওয়ামী লীগবাজেটবাংলাদেশ
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    চলতি মাসে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যে লং মার্চ করেছে তাকে সরকারের জন্য ‘ওয়েক আপ কল’ বলে উল্লেখ করছেন জোটটির নেতারা। প্রায় ১ হাজার গাড়ি নিয়ে এই লং মার্চ করে জোটের পক্ষ থেকে সরকারকে ৬ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। জোট নেতারা ওই ৬ দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট

  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড