Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

সৌদি এফ-৩৫ পেলে বদলে যেতে পারে মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতার মানচিত্র

ইয়াসিন আরাফাত

ইয়াসিন আরাফাত

প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর ২০২৫, ১২: ০৭
সৌদি এফ-৩৫ পেলে বদলে যেতে পারে মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতার মানচিত্র

সৌদি আরবের বহুল প্রত্যাশিত পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান এফ-৩৫ কেনার প্রক্রিয়া মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন আলোড়ন তুলেছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর (পেন্টাগন) সৌদি আরবের প্রস্তাবে প্রাথমিক ‘সবুজ সংকেত’ দিয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

চূড়ান্ত চুক্তি হলে, এটি শুধু সামরিক শক্তি বৃদ্ধি নয় বরং আঞ্চলিক কৌশল, অর্থনীতি ও কূটনীতিতেও এক বড় পরিবর্তন আনবে।

এফ-৩৫ হলো লকহিড মার্টিন নির্মিত পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমান। এর বিশেষত্ব হলো রাডার এড়ানো, দীর্ঘপাল্লার আক্রমণ ক্ষমতা, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের সক্ষমতা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বিশ্লেষকেরা বলছেন, সৌদি আরব যদি এই যুদ্ধবিমান পায়, তাহলে দেশটির বিমানবাহিনী আঞ্চলিকভাবে এক ধাপ এগিয়ে যাবে।

সৌদি আরব এখন প্রায় ৪৮টি এফ-৩৫ কেনার প্রক্রিয়ায় আছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি হবে সৌদি বিমান বাহিনীর আধুনিক যুগে প্রবেশের টার্নিং পয়েন্ট।

গত ১৫ মে এক প্রতিবেদনে মার্কিন সংবাদমাধ্যম বিজনেস ইনসাইডারের প্রতিবেদনে বলা হয়, যেকোনো এফ-৩৫ অধিগ্রহণ সৌদি আরবকে ইরানের গভীরে আঘাত হানার ক্ষমতা দেবে, যা বর্তমানে সম্ভবের চেয়ে অনেক বেশি।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। ছবি: রয়টার্স
সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। ছবি: রয়টার্স

এর অর্থ ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল স্থাপনা বা পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রের ওপর হুমকি বাড়বে। এতে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের প্রতিক্রিয়া, কিংবা ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর পাল্টা হামলার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

অন্যদিকে, ইসরায়েল ইতিমধ্যেই এফ-৩৫ ব্যবহার করছে। এই সম্ভাব্য বিক্রিতে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ বাড়তে পারে ইসরায়েলের। মার্কিন আইনে বলা আছে, মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলকে সবসময় প্রযুক্তিগতভাবে এগিয়ে থাকতে হবে।

আমেরিকার কাছ থেকে ৪৮টি এফ-৩৫ কিনছে সৌদিf-35

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই বিক্রয় একটি উল্লেখযোগ্য নীতি পরিবর্তন আনবে, যা ইসরায়েলের শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখার সংজ্ঞাকেই পরীক্ষা করবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স

অর্থাৎ, ওয়াশিংটনকে হয় ইসরায়েলকে আরও উন্নত অস্ত্র দিতে হবে, নয়ত অঞ্চলে ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি নিতে হবে।

নিউজউইকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যদি সৌদি আরব ৪৮টি এফ-৩৫ পায়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতার ভারসাম্য পুনর্গঠিত হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, যদি সৌদি এই স্টেলথ প্রযুক্তি পায়, তাহলে ইরান, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাতও নিজেদের প্রতিরক্ষা বাজেট আরও বাড়াতে পারে। ফলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ভারসাম্য নতুন করে আঁকা হবে।

এফ-৩৫ কেনা শুধু প্রতিরক্ষা নয় একটি অর্থনৈতিক কৌশলও। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্ভাব্য ক্রয়টি সৌদি আরবের ভিশন-২০৩০ এজেন্ডার অধীনে অর্থনৈতিক ও সামরিক আধুনিকীকরণ পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত।

গত মে মাস সৌদি আরবকে প্রায় ১৪২ বিলিয়ন ডলার মূল্যের অস্ত্র প্যাকেজ বিক্রি করতে সম্মত হয় আমেরিকা। এটিকে হোয়াইট হাউস ওয়াশিংটনের করা বৃহত্তম প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি বলে অভিহিত করে।

বিশ্লেষকদের মতে, এতে চীন বা রাশিয়ার ওপর সৌদির নির্ভরতা কমবে, কিন্তু একইসঙ্গে তেলের দামের ওঠানামার মধ্যে এমন ব্যয়বহুল প্রকল্প বাজেটে চাপ ফেলতে পারে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই চুক্তি আঞ্চলিক কূটনীতিতে নতুন পথ খুলে দিতে পারে। আমেরিকা ৪৮টি এফ-৩৫ বিবেচনা করছে, যা ইসরায়েল-সৌদি সম্পর্কের স্বাভাবিকীকরণের প্রক্রিয়া আরও তরান্বিত করতে পারে।

এটি ‘অ্যাব্রাহাম অ্যাকর্ডস’-এর ধারাবাহিকতা হিসেবেও দেখা যেতে পারে। যেখানে ইরানবিরোধী দেশগুলো একজোট হচ্ছে। তবে এই যুদ্ধবিমান কেনার প্রসঙ্গে মানবাধিকার ইস্যু ও ইয়েমেনে সৌদি অভিযান নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসে তীব্র বিতর্ক উঠতে পারে এমন আশঙ্কাও রয়েছে।

পেন্টাগনের প্রাথমিক অনুমোদন মানেই চূড়ান্ত বিক্রি নয়। বিষয়টি এখনো মার্কিন কংগ্রেস ও পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

লকহিড মার্টিন স্পষ্ট করেছে, এটি দুই দেশের সরকারের মধ্যে রাজনৈতিক চুক্তি। এর বাস্তবায়নের সময় নির্ভর করবে কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর।

অর্থাৎ, সৌদির এফ-৩৫ এখনো কাগজে রয়েছে, বাস্তবে নয়।

যদি সব অনুমোদন পেরিয়ে এই চুক্তি বাস্তবায়িত হয়, তবে ইসরায়েলের পর সৌদি আরব হবে মধ্যপ্রাচ্যের একমাত্র দেশ, যার হাতে অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান থাকবে। এতে তাদের সামরিক ও কূটনৈতিক প্রভাব নাটকীয়ভাবে বাড়বে।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স, বিজনেস ইনসাইডার, নিউজউইক, দ্য সাইফার ব্রিফ

বিষয়: যুদ্ধবিমানআন্তর্জাতিকসৌদি আরবআমেরিকামধ্যপ্রাচ্যপেন্টাগন
সর্বশেষ
  • ১

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ২

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৩

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৪

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৫

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    চলতি মাসে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যে লং মার্চ করেছে তাকে সরকারের জন্য ‘ওয়েক আপ কল’ বলে উল্লেখ করছেন জোটটির নেতারা। প্রায় ১ হাজার গাড়ি নিয়ে এই লং মার্চ করে জোটের পক্ষ থেকে সরকারকে ৬ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। জোট নেতারা ওই ৬ দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট

  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড