Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

শান্তি সূচকে বাংলাদেশের উন্নতি, শান্তি আছে কতটা

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৪ জুন ২০২৬, ১৯: ০৬
শান্তি সূচকে বাংলাদেশের উন্নতি, শান্তি আছে কতটা

অস্ট্রেলিয়া-ভিত্তিক ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিক অ্যান্ড পিস (আইইপি) প্রতি বছর প্রকাশিত গ্লোবাল পিস ইনডেক্স বা জিপিআই বিশ্বের শান্তির মাত্রা মূল্যায়নের অন্যতম প্রধান সূচক। এই সূচকে তিনটি প্রধান ডোমেইনের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়–সোসাইটাল সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি, অনগোয়িং কনফ্লিক্ট এবং মিলিটারাইজেশন। যে দেশের স্কোর যত কম, দেশ তত শান্তিপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গ্লোবাল পিস ইনডেক্স (জিপিআই) ২০২৬ অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে স্থান পেয়েছে বাংলাদেশ। তালিকায় ভারত, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে।

সর্বশেষ প্রতিবেদনে, ২.২২৬ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশ ১১৭তম স্থানে উঠে এসেছে, যা গত বছরের তুলনায় কিছুটা উন্নতি। গত বছর বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১২৩তম। তবে গত ছয় বছরের সামগ্রিক চিত্রে দেশের শান্তি সূচকে উল্লেখযোগ্য ওঠানামা লক্ষ্য করা গেছে।

২০২১ সালে বাংলাদেশ জিপিআইতে ৯১তম স্থান অর্জন করে। সেখানে তাদের স্কোর ছিল ২.০৬৮। সে বছর দেশ সাত ধাপ উন্নতি করেছিল এবং দক্ষিণ এশিয়ায় ভুটান ও নেপালের পর তৃতীয় স্থানে ছিল। এই অবস্থান রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রতিফলন হিসেবে দেখা হয়েছিল। পরের বছর ২০২২ সালে স্কোর সামান্য বেড়ে ২.০৬৪- হয় এবং র‍্যাঙ্কিং ছিল ৯৬। দক্ষিণ এশিয়ায় অবস্থান তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল ছিল, যদিও বিশ্বব্যাপী শান্তির সূচক সামান্য অবনতির দিকে যাচ্ছিল।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
বৈশ্বিক শান্তি সূচকে এগিয়েছে বাংলাদেশ, পিছিয়েছে ভারত-পাকিস্তানglobal peace index (1)

২০২৩ সালে বাংলাদেশের অবস্থান উন্নত হয়। দেশ ৮৭তম স্থানে উঠে আসে এবং স্কোর ছিল ২.০৯৩। এই সময়ে সোসাইটাল সেফটি ডোমেইনে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। দক্ষিণ এশিয়ায় তৃতীয় স্থান বজায় ছিল। তবে ২০২৪ সাল থেকে চিত্র বদলাতে শুরু করে। সে বছর বাংলাদেশ ৯৩তম স্থানে নেমে যায় ২.১২৬ স্কোর নিয়ে। র‍্যাঙ্কিংয়ে ছয় ধাপ পিছিয়ে পড়া এবং স্কোর বৃদ্ধি অভ্যন্তরীণ চাপের ইঙ্গিত দেয়। মিলিটারাইজেশন ডোমেইনে কিছু অবনতি দেখা যায়, যদিও সামগ্রিকভাবে দেশ এখনও মাঝারি শান্তির ক্যাটাগরিতে ছিল।

গ্লোবাল পিস ইনডেক্সে বাংলাদেশ ভারত ও পাকিস্তানের থেকে অনেক এগিয়ে। ছবি: গ্লোবাল পিস ইনডেক্স
গ্লোবাল পিস ইনডেক্সে বাংলাদেশ ভারত ও পাকিস্তানের থেকে অনেক এগিয়ে। ছবি: গ্লোবাল পিস ইনডেক্স

সবচেয়ে বড় ধাক্কা আসে ২০২৫ সালে। বাংলাদেশ ১২৩তম স্থানে নেমে যায় স্কোর ২.৩১৮-এ উন্নীত হয়ে। এটি ছিল দেশের জিপিআই ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ অবস্থান। আইইপি রিপোর্টে এই তীব্র অবনতির জন্য রাজনৈতিক দমনমূলক ব্যবস্থা, গণ-অস্থিরতা, সহিংসতা এবং অভ্যন্তরীণ ‘কনফ্লিক্টকে’ দায়ী করা হয়। ‘অনগোয়িং কনফ্লিক্ট’ ডোমেইনে বড় ধরনের অবনতি হয় এবং দক্ষিণ এশিয়া বিশ্বের দ্বিতীয় সবচেয়ে কম শান্ত অঞ্চলে পরিণত হয়। পাকিস্তানের সঙ্গে মিলে এই অঞ্চলের গড় স্কোর উল্লেখযোগ্যভাবে খারাপ হয়।

তবে ২০২৬ সালে কিছুটা স্বস্তির খবর এসেছে। বাংলাদেশ ১১৭তম স্থানে উঠে এসেছে স্কোর ২.২২৬ নিয়ে। ছয় ধাপ উন্নতি হয়েছে এবং দক্ষিণ এশিয়ায় ভুটান, শ্রীলঙ্কা ও নেপালের পর চতুর্থ স্থানে রয়েছে। ভারত ১২৭তম, পাকিস্তান ১৫২তম এবং আফগানিস্তান আরও নিচে।

২০২৬ সালের গ্লোবাল পিস ইনডেক্সে (জিপিআই) বাংলাদেশের ভালো করার মূল কারণ হলো রাজনৈতিক পরিবর্তন ও অপেক্ষাকৃত শান্তিপূর্ণ ক্ষমতার হস্তান্তর, যার ফলে আগের বছরগুলোর তুলনায় দেশব্যাপী সহিংস বিক্ষোভ এবং অভ্যন্তরীণ সংঘাত উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। তবে সোসাইটাল সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি ডোমেইনে স্কোর এখনও ২.৫৭৯-এর মতো উঁচু, যা চ্যালেঞ্জ বজায় রেখেছে। ‘অনগোয়িং কনফ্লিক্ট’-এ স্কোর ২.২৩৭ এবং মিলিটারাইজেশনে ১.৬১৫, যা তুলনামূলকভাবে ভালো।

বাংলাদেশের মতো রপ্তানিমুখী অর্থনীতির জন্য শান্তির সূচক গুরুত্বপূর্ণ। ছবি: চরচা
বাংলাদেশের মতো রপ্তানিমুখী অর্থনীতির জন্য শান্তির সূচক গুরুত্বপূর্ণ। ছবি: চরচা

গত ছয় বছরের তুলনায় দেখা যায়, ২০২১-২০২৩ পর্যন্ত স্কোর ২.০৬ থেকে ২.০৯-এর মধ্যে স্থিতিশীল ছিল। কিন্তু ২০২৪ থেকে অবনতি শুরু হয়ে ২০২৫-এ চরমে পৌঁছায়। ২০২৬-এ সামান্য পুনরুদ্ধার হলেও ২০২১-এর পর্যায়ে ফিরতে এখনও সময় লাগবে। বিশ্বব্যাপী শান্তির সূচকও অবনতির দিকে। ২০২৬ রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিশ্ব গত ১৮ বছরে ১৫ বার শান্তির অবনতি দেখেছে। সংঘাতের সংখ্যা বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক চাপ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা এর প্রধান কারণ। দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক অস্থিরতা, সীমান্ত সমস্যা এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ বাংলাদেশের স্কোরকে প্রভাবিত করেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সূচকের প্রভাব অনেক দূরপ্রসারী। নিম্ন র‍্যাঙ্কিং বিদেশি বিনিয়োগ, পর্যটন শিল্প এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে প্রভাবিত করতে পারে। বাংলাদেশের মতো রপ্তানিমুখী অর্থনীতির জন্য শান্তির সূচক গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্লেষকরা মনে করেন, আইনশৃঙ্খলা জোরদার, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং যুবকদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করলে উন্নতি সম্ভব।

বাংলাদেশের জন্য এই ছয় বছরের ট্রেন্ড একটি সতর্কবার্তা। ২০২৫-এর তীব্র পতন দেখিয়েছে যে, অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা না থাকলে শান্তি সূচক দ্রুত খারাপ হয়। অন্যদিকে ২০২৬-এর উন্নতি আশার আলো দেখাচ্ছে যে সঠিক পদক্ষেপে পুনরুদ্ধার সম্ভব।

বিষয়: অর্থনীতিবাংলাদেশপর্যটনশিল্পবিনিয়োগব্যবসা–বাণিজ্যমানবাধিকাররাজনীতি
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

    চলতি মাসে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যে লং মার্চ করেছে তাকে সরকারের জন্য ‘ওয়েক আপ কল’ বলে উল্লেখ করছেন জোটটির নেতারা। প্রায় ১ হাজার গাড়ি নিয়ে এই লং মার্চ করে জোটের পক্ষ থেকে সরকারকে ৬ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। জোট নেতারা ওই ৬ দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট

  • বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    বিএনপি ক্ষমতায় সাত মাস : সরকার তো চলছে, দলের কী অবস্থা?

    ১৭ বছরের বেশি সময় ক্ষমতার বাইরে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা-গ্রেপ্তার আর রাজনৈতিক চাপ সামলে এখন সরকারে বিএনপি। গত ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর দলের শীর্ষ নেতাদের বড় একটি অংশ এখন সরকারের দায়িত্বে ব্যস্ত। মন্ত্রিসভা, সংসদ, প্রশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্

  • কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    কমেডিও কাঠগড়ায়! চীনে বাকস্বাধীনতা কি ডিপ ফ্রিজে?

    চীনের সরকার আসলে কী কী বন্ধ করে দেয় – শুধুই কি বিদেশি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়, নাকি দেশের ভেতরে থাকা সমালোচকদের ওপরও এই নিষেধাজ্ঞা আছে, এমন চিন্তাটা আসা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে সরকারের লক্ষ্য এর চেয়েও বড়।

  • ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধ কি বদলে দিল বিশ্ব তেলের বাজার?

    ইরান যুদ্ধের ছয় মাস পেরিয়েছে। এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন খাতে বিশেষ করে তেলের বাজার তীব্রভাবে প্রভাবিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে আমেরিকানদের ওপর। গ্যাসের দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ৪ ডলারের বেশি। বন্ধকী ঋণের সুদের হারও বেড়ে প্রায় ৭ শতাংশের দিকে যাচ্ছে। আবার ডিজেলের রেকর্ড